সংবাদ শিরোনাম :
আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থেকে যুগ যুগ বেঁচে থাকবে রওশনারা ফাউন্ডেশন এর রওশানারা—– মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত থেকে ৫ টি পিস্তল ৭ রাউন্ড গুলি ও ১ টি ম্যাগজিন উদ্ধার বেনাপোল পৌর ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে ২০০ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার শার্শায় বেকার আনসার সদস্যদের মাঝে ত্রান বিতরণ শার্শা আওয়ামী দলীয় কার্যালয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ইফতার বেনাপোলে জীবনের ঝুকি নিয়ে ভারত ফেরত যাত্রীদের সেবায় স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু। পুটখালী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অর্থ বিতরণ ভারতে ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ায় বেনাপোলে বাড়তি সতর্কতা ।। বাংলাদেশী করোনা পজিটিভ যাত্রীকে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মোবাইল চোরের মুল হোতা আটক
মধুপুরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, অস্বস্তিতে ক্রেতা, বাজার মনিটরিংয়ের দাবী 

মধুপুরে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ, অস্বস্তিতে ক্রেতা, বাজার মনিটরিংয়ের দাবী 

আঃ হামিদ মধুপুর( টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ মৌসুমী রসালো ফল তরমুজ বর্তমানে টাঙ্গাইলের মধুপুরে  কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্যাবসায়ীগন তাদের ইচ্ছেমতো দাম  হাকিয়ে তরমুজ বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও জনসাধারণ। নিম্ন আয়ের মানুষের এ বছরের তরমুজের স্বাদ নিতে খুবই হিমশিম খাচ্ছেন বলে জানা যায়। রমজান মাস এলেই  প্রতিটা রোজাদারের পরিবারে ইফতার থাকে তরমুজ সহ হরেক রকমের মৌসুমী ফলের সমাহার। কিন্ত সেই তরমুজের দাম এবার আকাশ ছোয়া। তবে দাম বৃদ্ধির কারনে অনেক রোজাদার সহ নিম্ন আয়ের মানুষ আজও তরমুজের স্বাদ নিতে পারেননি।
গত বছর মধুপুরের সর্বত্রই তরমুজের ছড়াছড়ি এবং পিচ হিসেবে বিক্রি হতে দেখা গেছে। কিন্তু এবার চিত্রটা ভিন্ন! চলতি মৌসুমে বাজারে পর্যাপ্ত তরমুজের দেখা গেলেও এ বছর তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এবং তাও কেজিপ্রতি আবার ৫০ থেকে ৬০ টাকায়।
 মধুপুর বাস্টান্ড সহ বিভিন্ন  বাজার, হাট ঘুরে দেখা গেছে, কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে। অনেক ক্রেতা এসে বিক্রেতার সাথে দাম নিয়ে রীতিমতো বিবাদে জড়িয়ে পড়ছেন। আবার অনেক ক্রেতা যেহেতু কেজিতে বিক্রি হচ্ছে তাই কেটে ১ কেজি তরমুজ চাচ্ছেন দোকানির কাছে। এ নিয়েও চলছে বাক বিতন্ডতা।
অটোচালক শফিক, হায়দার, মিন্টু  সহ আরও অনেকেই বলেন, লকডাউন চলছে। ভয় নিয়ে সড়কে আসি, দিন শেষে যা আয় হচ্ছে কোনো রকমে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছি। এই রোজগারে এ বছর তরমুজ খাওয়া সম্ভব হবে না।
বাজারে আসা রোজাদারসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষের প্রশ্ন তরমুজ কেজিতে বিক্রি হওয়ার কারন কি? যে তরমুজ গত বছরও মানুষ পিচ হিসেবে কিনেছে, সেই তরমুজ এ বছর কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তবে কেজিতে যদি ১৫/২০ টাকা হতো তাহলে সাধ্যের মধ্যে থাকতো ; অথচ ৫০/৬০ টাকা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি হতে দেখা গেছে। ভোক্তাদের প্রশ্ন এই টাকা কি প্রকৃতপক্ষে ওই চাষি, যে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে তরমুজ উৎপাদন করেছে তার পকেটে যাচ্ছে নাকি অন্য কারও পকেটে? কৃষকের তরমুজের ক্ষেত থেকে শুরু করে বাজারে বিক্রেতা পর্যন্ত যারা ভোক্তার পকেট খালি করে চলেছে তাদের খুজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
বাজারের কয়েকজন খুচরা ব্যবসায়ী জানান, বড় ব্যবসায়ীরা তরমুজ পাইকারী বাজার হতে শ’ হিসেবে কিনে তা কেজিতে বিক্রি করছেন। আমরাও কেজিতে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি। বাজার মনিটরিং করলে কেজি কাহিনী উন্মোচন হবে বলে তারা মনে করছেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২১ -এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!