সংবাদ শিরোনাম :
আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত থেকে যুগ যুগ বেঁচে থাকবে রওশনারা ফাউন্ডেশন এর রওশানারা—– মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বেনাপোল পুটখালী সীমান্ত থেকে ৫ টি পিস্তল ৭ রাউন্ড গুলি ও ১ টি ম্যাগজিন উদ্ধার বেনাপোল পৌর ইমারত নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন এর পক্ষ থেকে ২০০ সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার শার্শায় বেকার আনসার সদস্যদের মাঝে ত্রান বিতরণ শার্শা আওয়ামী দলীয় কার্যালয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে ইফতার বেনাপোলে জীবনের ঝুকি নিয়ে ভারত ফেরত যাত্রীদের সেবায় স্বাস্থ্য কর্মী হাসানুজ্জামান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু। পুটখালী ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অর্থ বিতরণ ভারতে ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ায় বেনাপোলে বাড়তি সতর্কতা ।। বাংলাদেশী করোনা পজিটিভ যাত্রীকে দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মোবাইল চোরের মুল হোতা আটক
বেনাপোলের বাহাদুরপুর গ্রামে সুদ খোর মহাজন লিটন খানের অত্যাচারে বাড়ি ছাড়া ইসরাফিল

বেনাপোলের বাহাদুরপুর গ্রামে সুদ খোর মহাজন লিটন খানের অত্যাচারে বাড়ি ছাড়া ইসরাফিল

বেনাপোলের বাহাদুরপুর গ্রামে সুদ খোর মহাজন লিটন খানের অত্যাচারে বাড়ি ছাড়া ইসরাফিল
মোঃ আশাদজ্জামান আশা
সুদের টাকায় জর্জরিত হয়ে বাড়ি ছাড়া হয়েও রেহাই পাচ্ছে না ইসরাফিল এর পরিবার। বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর বাজারের সুদখোর মহাজন মুদি দোকানদার লিটন খান একই গ্রামের ইসরাফিলের জমি জায়গা লিখে নিয়ে বাড়ি ছাড়া করেছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগি পরিবার। এছাড়া এখন ওই পরিবারের একমাত্র ভিটাবাড়ি ও লিখে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে ।
বাহাদুরপুর গ্রামের ইসরাফিল এর স্ত্রী তাছলিমা জানায় তার স্বামী বাজারের লিটন খান এর দোকান থেকে বাকি মালামাল আনত। লিটন খান ওই মালের দাম সুদ হিসাবে দ্বিগুন তিনগুন টাকা নিত। এই ভাবে সে ২ লাখ টাকা থেকে সুদ হয়েছে সাড়ে ৮ লাখ টাকা বলে চাপ প্রয়োগ করে। এই ভাবে সে জোর করে মাঠের ধানী জমি লিখে নেয়। পর পর সে তিনটি দলিল করে। এরপরও নাকি তার সুদের টাকা পরিশোধ হচ্ছে না বলে সে আমাদের চাপ প্রয়োগ করে। ক্ষমতাধর সুদখোর মহাজন লিটন খান এর ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে তার স্বামী ইসরাফিল। এখন সে আমার স্বামীকে না পেয়ে আমাদের বাড়ি থেকে নেমে যাওয়ার হুমকি দিচ্ছে; এবং বাড়ি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করছে। আমার তিনটি ছেলে মেয়ে আমি এদের নিয়ে কোথায় যাব বলে তাছলিমা হাওমাও করে কাঁদতে থাকে।

তাছলিমার ভাসুর ইব্রাহীম বলেন লিটন গ্রামে একজন সুদে মহাজন বলে পরিচিত। সে সামান্য দোকান বাকি দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা দাবি করছে। তার টাকায় দিনেও সুদ রাতেও সুদ।

এ বিষয় আলাপ হয় বাহাদুরপুর বাজারে লিটন এর দোকানে। লিটন জানায় তার কাছে কোন সুদের টাকা নয়। তাদের সাথে বিরোধ বাঁধছে জমি ক্রয় নিয়ে। সে আমাকে জমি লিখে দেওয়ার আগে ওই জমি আরো দুই জনের কাছে বিক্রয় করেছে। যা আমি জানতাম না। বর্তমানে ওই দাগের এক একর ২৬ শতক জমির মধ্যে ৮৩ শতক জমি ক্রয় বাবদ মাত্র ২৭.৪২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করছি। আমাকে ২০১৫ সালে দলিল করে দেওয়ার পর থেকে জমি ভোগ দখল করে আসছি। সম্প্রতি গ্রামের জামসেদ খা তার জমি বলে আগের দলিল দেখায় এতে আমার জমি শুন্য হয়ে যায়। এছাড়াও আমি ওই পরিবারের কাছে আরো পাওনা টাকা পাব। এ নিয়ে গ্রামে ও থানায় কয়েকদফা বিচার শালীশও হয়েছে। আমি মোট ৮৩ শতক জমি ক্রয় বাবদ ওদের ১২ লাখ টাকা দিয়েছি।
এ ব্যাপারে ওই বাজারের জনৈক দোকানদার একজন ব্যাবসায়ি শাহজাহান বলেন আমিও ওদের নিকট থেকে জমি ক্রয় করেছি। তবে আমার জমিতে কোন ভেজাল হয়নি।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২১ -এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!