1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
৭মার্চের সেই ভাষনেরই সফল পরিণতি স্বাধীন বাংলাদেশ ।।৫১ বছরেও ১৮ মিনিটের সেই ভাষণের আবেদন এতটুকু কমেনি - মেয়র আশরাফুল আলম লিটন - Dainikasharalo.com
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তার বেহাল দশা বেনাপোল বন্ধন ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বেনাপোল সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি,ম্যাগজিন সহ আটক ০১ বেনাপোলে ০৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার শার্শার জামতলা বাজারে মায়া ডিজিটাল ষ্টোডিওতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় গাঁজা সহ আটক ৩ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বেনাপোলে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মত বিনিময় সভা যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার




৭মার্চের সেই ভাষনেরই সফল পরিণতি স্বাধীন বাংলাদেশ ।।৫১ বছরেও ১৮ মিনিটের সেই ভাষণের আবেদন এতটুকু কমেনি —– মেয়র আশরাফুল আলম লিটন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২
  • ৩৫ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে মুক্তিকামী বাঙালী জাতিকে মুক্তির বাণী শুনিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৭মার্চের সেই ভাষনেরই সফল পরিণতি স্বাধীন বাংলাদেশ। ৫১ বছরেও ১৮ মিনিটের সেই ভাষণের আবেদন এতটুকু কমেনি। জাতির জনক তার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে বাঙালী জাতির নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন সার্বোভৌম লাল সবুজের আলাদা ভুখন্ড এনে দিয়েছে বাংলার মানুষকে। কারন জাতির জনকের মতার লোভ ছিলনা, সম্পদের লোভ ছিল না তিনি বাংলার মানুষকে ভালবাসতেন বাংলার মানুষের মানুষের মত বাঁচার অধিকার চেয়ে সংগ্রাম লড়াই করে গেছেন তবু ওই পাক হানাদার বাহিনীর কাছে মাথা নত করেন নাই। বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে ৭ মার্চের আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন মেয়র লিটন।

সোমবার বেলা ১১ টার সময় বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ আয়োজতি পৌর আওয়ামী দলীয় কার্যালয়ে ৭ মার্চের আলোচনা সভার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্বি করেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আহসান উল্লাহ।

এসময় প্রধান অতিথি বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের এক অনন্য দিন। সুদীর্ঘকালের আপসহীন আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) বিশাল জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। এ দিন লাখ লাখ মুক্তিকামী মানুষের উপস্থিতিতে জাতির অবিসংবাদিত মহান নেতা বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন, ‘রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দেব, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাহআল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্র্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর এই উদ্দীপ্ত ঘোষণায় বাঙালি জাতি পেয়ে যায় স্বাধীনতার দিকনির্দেশনা। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনে বাঙালি জাতি। বিশ্ব মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো “ডকুমেন্টারী হেরিটেজ” (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি আরো বলেন,মানুষ যতদিন পৃথিবীতে থাকবে ততদিন এই ভাষন মানুষ মনে রাখবে। সকল নির্যাতিত নিপিড়িত মানবতার মুক্তির এই প্রায় ১৯ মিনিটের ভাষন মানুষ পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন এই ভাষন স্মরন করবে। এই ভাষন যেমন মুখস্থ করা যায় না তেমন বদলে দেওয়া যায় না। এই ভাষন এর যদি প্রতিটি লাইন প্রতিটি শব্দ ধরে ধরে বিশ্লেষন করেন পৃথিবীতে এত মানবিক এত শৈপ্লিক এত চমৎকার সরল প্রান উপস্থাপন পৃথিবীর কোন নেতা এত সরল প্রান ভাষন উপস্থান করতে পারেনি। এই ভাষন ছিল শৈপ্লিক নান্দনিক এবং অর্থবহ। আমি বহু ভাষন শুনেছি এই ধরনের ভাষন শুনি নাই। জাতির জনক এর ছিল একটি সৌন্দর্য। কারন তার বুদ্ধি থাকলেও তিনি বুদ্ধি নিতেন। তিনি কোন কাজ করতে গেলেও তা নিয়ে আলোচনা করে অগ্রসর হতেন। জাতির জনকের মাথার উপর ছিল নানা ধরনের ষড়যন্ত্র। পাকিস্থানীদের কামান সহ নানা ধরনের ষড়যন্ত্র তিনি মোকাবেলা করেছেন। জাতির জনক এর ঘনিষ্ট সহচর তাকে প্রশ্ন করেছিল আজ ল ল মানুষের সামনে কি বলবেন? আপনার কাগজ নেই কলম নেই। জাতির জনক উত্তর দিয়েছিল আল্লাহ যা বলতে দেয় তাই আজ বলব। ইতিহাসের এই মহানায়ক সেদিন ৭ মার্চের ভাষন দিয়ে সারা পৃথিবীকে তাক লাগিয়েছে। তার মত কর্তব্য পরায়ন, দায়িত্ববান লোক পৃথিবীর ইতিহাসে এখনো আসেনি। তার জন্য ইউনেস্কো পর্যালোচনা করে সেই ভাষন সন্মান ও মর্যদার আসনে বসিয়েছে। জাতির জনকের পরিবার যত রক্ত বাঙালি জাতির জন্য দিয়ে গেছেন পৃথিবীর ইতিহাসে এত রক্ত কোন রাষ্ট্র নাযক জাতির জন্য দেয়নি। জাতির জনক তার জীবনের শ্রেষ্ট সময় তার পরিবারকে না দিয়ে তিনি লড়াই সংগ্রাম করে জেল খেটেছেন। পরিবারের ছেলেমেয়েদের লেখা পড়া সহ সংসারের খবর তিনি রাখতে পারেনি। জাতির জনক ছিলেন একজন নির্লোভ মানুষ। তাকে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ধানমন্ডির ৩২ নম্বর এর বাড়ি বার বার দান করেছেন আর জাতির জনক বার বার ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন এত টাকা আমি দিতে পারব না। তাকে ভালবেসে নেতা কর্মীরা সেই বাড়ির দাম পরিশোধ করে তাকে সেই বাড়িটি উপহার দেন। এই হোল জাতির জনক এর চরিত্র। তার মত নির্লোভ মানুষকে আমরা স্বপরিবারে হত্যা করে পকলংঙ্ক লেপন করলাম পৃথিবীর ইতিহাসে।

তার কন্যা যখন পিতার দেখানো স্বপ্ন বাস্তাবায়ন করতে দেশে আসলেন তখন নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের শিকার হতে থাকেন। তাকে ২১ বার হত্যা চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি শত শত পথ হেটে এদেশের মানুষকে সংঘবদ্ধ করে ১৯৯৬ সালে মতায় এসে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি লড়াই সংগ্রাম পরিশ্রম করে এদেশের মানুষের জন্য কাজ করে আজ বাংলাদেশেকে অনন্য উচ্চাতায় নিয়ে গেছেন। আজ পৃথিবী শেখ হাসিনার বাংলাদেশকে নিয়ে আলোচনা করেন। কি ভাবে একটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই হচ্ছে জাতির জনকের কন্যা। আজ বাংলাদেশকে শেখ হাসিনা ুধা মুক্ত দরিদ্র মুক্ত করতে কাজ করছেন। এসময় তিনি ৭ মার্চের ভাষন সম্পর্কে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে চর্চা করতে বলেন ভালো করে পড়তে বলেন। যারা প্রতিটি লাইন প্রতিটি শব্দে পাবে পথ চলার শক্তি সাহস।

তিনি আরো বলেন, আমরা চাই জতির জনকের কন্যা যে ভাবে বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে মাথা উচু করে দাঁড়াতে শিখেছে। সেই সময় কিছু চক্রান্ত কারীরা তার উন্নয়নকে নস্যাৎ করতে নানা বিধ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমরা এসব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দেশ তথা আমাদের শার্শাকে এগিয়ে নিয়ে যাব ষড়যন্ত্র মুক্ত রাখতে। আজ শার্শায় যে সব আওয়ামীলীগের নেতা কর্মী অত্যাচার নির্যাতন এর শিকার হচ্ছে আমরা ওই ষড়যন্ত্রকারীদের বুঝিয়ে দিব জবর দখল করে মতার অপব্যবহার করে দীর্ঘদিন কেউ টিকে থাকতে পারে না। ভালবাসার চেয়ে বড় অস্ত্র আর পৃথিবীতে আছে বলে আমি মনে করি না।

এসময় প্রধান অথিথি মেয়র লিটন বলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন সরল উদার মানুষ। তার সেই দিনের সেই সরল হৃদয় থেকে যে ভাষনটি রেখেছিলেন তাতে সাড়ে ৭ কোটি বাঙালি একত্রিত হয়ে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধে। বঙ্গবন্ধুর ভাষন যারা স্থির মস্তিস্কে শুনবে, তারা বুঝবে এরম মর্ম। তাহলে তারা প্রতিদিন এর নতুনত্বতা পাবে। সেই ভাষনে যা কিছু শুভ যা কিছু কল্যানকর তাই ছিল।এই ভাষনটি ইতিমধ্যে ১১ টি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। এই ভাষনটি ৪০ টি ভাষায় অনুবাদ করার প্রক্রিয়া চলছে। ইউনেস্কো যে ৭৮টি ভাষন লিপিবদ্ধ করছে । সেখানে বঙ্গবন্ধুর ভাষন রয়েছে ৪০ তম স্থানে। তিনি ছিলেন মানুষ পাগল। তিনি মায়া মমতা দিয়ে ভালবাসা দিয়ে এই জাতিকে মুক্তি করেছে। এই নিরন্তর সম্পৃক্তির উৎস হচ্ছে ভালবাসা। একটি মানুষ একটি জাতিকে কত বেশী ভালবাসতে পারে বঙ্গবন্ধু তার উদাহরন। পৃথিবীর কোন দেশে কোন নেতা তার মত জাতিকে ভালবাসতে পারে নাই। তার আকাঙ্খা ভালবাসা ছিল এই ভুখন্ডকে নিয়ে। এই ভুখন্ডে আমাদের ৩০ ল শহীদ হয়েছে ২ ল মা বোনের সম্ভম হানি হয়েছে। তিনি পাকিস্তানিদের বলেছিলেন যদি আপনারা যদি গুলি চালানো বন্ধ না করেন তাহলে আর আপনাদের সাথে মুখ দেখা দেখি হবে না। এই সহজ সরল কথা ছিল সেদিন বঙ্গবন্ধুর।

প্রধান অতিথি হিসাবে মেয়র লিটন আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের যে আহবানে বাঙালি জাতি দেশের ভৌগলিক অবস্থানকে মুক্ত করেছে; সেই আহবানে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়েই আমরা তাঁর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে বাস্তবায়নে রূপ দিতে চাই। আজ জাতির জনক এর কন্যা অনেক লড়াই সংগ্রাম করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এসেছিলেন পাহাড়ি পথ দিয়ে। ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে আজ দেশকে তিনি উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। তিনি বলেন ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট এর পর মানুষ যে প্রতিবাদ না করেছে জাতির জনক এর মৃত্যুর পর প্রকৃতি তার চেয়ে বেশী প্রতিবাদ করেছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ নেতা মতিয়ার রহমান মধু, মোজাফফার হোসেন, পৌর প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন আলম,পৌর যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল আলম, বেনাপোল ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা. সাবেক উপজলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সজল, দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের কার্যকরি সদস্য জাকির হোসেন আলম প্রমুখ।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com