1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
শার্শায় শালিশের মাধ্যেমে চেয়ারম্যানের অনুসারিদের লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ - Dainikasharalo.com
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বেনাপোলে বিজিবি-বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক বেনাপোলে পৃথক অভিযানে মদ-ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার ৩ ভারতে জেল খেটে দেশে ফিরল তিন যুবক ও দুই যুবতী বেনাপোল সীমান্তে ৩ কেজি ৩৫০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার শার্শায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু শার্শায় ফসলের মাটি গিলে খাচ্ছে ভাটা : প্রভাবশালী সহ জড়িয়ে রয়েছে ইউপি সদস্যরা বেনাপোল পুটখালি সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ হারানো ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংশিত বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ডিমলায় সরকারী রাস্তার সাইড কর্তন দেখার কেউ নেই শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি যাত্রী এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে




শার্শায় শালিশের মাধ্যেমে চেয়ারম্যানের অনুসারিদের লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যের অভিযোগ

  • প্রকাশিত : শনিবার, ৭ মে, ২০২২
  • ২৬২ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
পারিবারিক জমি জায়গা সংক্রান্ত বিচার শালিশে চেয়ারম্যানের নাম করে লাখ টাকা ঘুষ বানিজ্যে ও পরিবারের অনুমতি ব্যাতিরকে পৈত্রিক ভিটার গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়ে টাকা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শার্শার এক চেয়ারম্যানের অনুসারিদের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি ঘটনাটি ঘটেছে যশোর এর শার্শা উপজেলার শার্শা ইউনিয়নের চটকাপোতা গ্রামে।

ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ইদ্রিস আলী ঢালী ও তার ভাই মেয়াদ আলী ঢালী জানায় তাদের পিতার মৃত্যুর পর ভাই ভাইদের মধ্যে পারিবারিক জমি জমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে শালিশ পর্যান্ত গড়ায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত । পরিবারের এই দ্বন্দর সুযোগ খোজে শার্শা ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন তোতার কাছের অনুসারি শ্যামলাগাছি গ্রামের আমিন উদ্দিন। তারা বিচার শালিশ করে জমি জায়গা সঠিক ভাবে ভাগ করে দিবে এই আশ্বাস দেয় ইদ্রিস আলীকে এবং তার কাছে দেড় লাখ টাকা দাবি করে। ইদ্রিস আলী ১ লাখ টাকা দিতে পারবে বলে আমিনকে জানায়। সে মোতাবেক আমিন চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করে তাকে ১ লাখ টাকা দিতে বলে। এরপর সে চটকাপোতা গ্রামের রফিকুলের কাছে এক লাখ দেয় আমিনকে দেওয়ার জন্য। ইদ্রিস আলী আরো জানায়, আমিনকে রফিকুলের মাধ্যেমে টাকা দেওয়ার পর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন তোতা ও তার অনুসারিরা তার বাড়িতে এসে বাড়ির গাছ বিক্রি করে তার মায়ের নামে এফ ডিআর করে রাখার একটি শালিশ করে। এই গাছ বিক্রি করে তার মায়ের নামে এফডি আর করে রাখার কোন অনুমতি তারা বা তার মা দেয়নি। চেয়ারম্যান জোর করে সম্প্রতি ১৮ টি গাছ বিক্রি করে নিয়ে গেছে এবং আরো গাছ বিক্রি করবে বলে জানিয়ে দেয়। ওই ১৮ টি গাছ বিক্রির টাকা তাদের পরিবারের কারো কাছে অথবা তার মায়ের কাছে ও দেওয়া হয়নি। এমনকি যে দিন আমাদের বাড়িতে চেয়ারম্যান এসেছিল সেদিন তাদের খাওয়া বাবদ ও আমার নিকট থেকে রফিকুল ১০ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছিল।

এ বিষয় ইদ্রিস আলী ঢালীর মা পরিছন নেছা জানান, আমার নামে কোন এফডিআর রাখা লাগবে না। আমার ছেলেরা সকলে তাদের ভুল বুঝতে পেরে এক হয়েছে আমি এতে খুশি। আমি গাছ বিক্রি করব না। কিন্তু তোতা চেয়ারম্যান তা শুনছে না। আমার ছেলে ইদ্রিস আলীকে শার্শা বাজারে তার অনুসারিরা মারধর পর্যন্ত করেছে।

স্থানীয় তোতা মিয়া বলেন, আমার বাড়ি চটকা পোতা গ্রামে ইদ্রিস আলীদের বাড়ির কাছে। তাদের বাড়ির গাছ জোর করে কবির উদ্দিন তোতা তার অনুসারিদের দিয়ে বিক্রি করাচ্ছে। তাদের পরিবারের দ্বন্দ মিটে গেছে। তারপরও চেয়ারম্যান ও তার অনুসারিরা ফায়দা লুটার জন্য ওই পরিবারের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টির পায়তারা করছে।
স্থানীয় জনৈক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন তোতা চেয়ারম্যান এলাকায় বিচার শালিশের মাধ্যেমে তার কাছের লোক দিয়ে ঘুষ বানিজ্য করছে এরকম অভিযোগ রয়েছে একাধিক।

ইদ্রিস আলী ১ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছে বিষয়টি জানার জন্য রফিকুল ইসলামকে ফোন দিলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন আমার টাকা পয়সা নেওয়া দেওয়ার বিষয় জানা নেই।
এ বিষয় সম্পর্কে আমিন আমিন উদ্দিন এর কাছে জানতে চাইলে সে অস্বীকার করে বলে এটা ফাউ কথা। আমি মুুুজিবুর রহমান এর ছেলে ইদ্রিসকে চিনি। তবে টাকা পয়সা সংক্রান্ত কোন লেন দেন তার সাথে আমার হয়নি।

এ বিষয় নিয়ে শার্শা ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন তোতা বলেন, তাদের পরিবারের জমি নিয়ে যে কম বেশী করে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়েছিল তা সকলকে আবার সমান ভাবে ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তারা গাছ বিক্রি করে মায়ের নামে এফডিআর করবে না এ প্রশ্নে তিনি বলেন তাহলে শালিশ যা করা হয়েছে তা থাকবে না। যাকে দিয়ে জমি অন্য ভাইয়ের নামে লিখে দেওয়া হয়েছে তার জমি ফিরিয়ে দিতে হবে। তারা পরিবার সকলে এক হয়েছে একথা বললে তিনি বলেন আমার সামনে ইদ্রিস আলীর ভাই বসা এরকম কোন কিছু সেতো বলছে না। ১৮ টি গাছ বিক্রির টাকা তারা পায়নি জানতে চাইলে তিনি বলেন যারা গাছ মেরেছে তাদের কাছ থেকে নিয়ে তার পিতার লাগানো আরো গাছ বিক্রি করে ওদের মায়ের নামে এফ ডিআর করা হবে। তারা এফডিআর করবে না সকলে এক হয়েছে এর জবাবে বলে তারা যদি সকলে এক হয়ে বলে তাহলে তো ঝামেলা মিটে গেল। শালিশ করার নামে আমিন ১ এক লাখ টাকা রফিকুলের মাধ্যেমে ইদ্রিস এর নিকট থেকে নিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন এটা আমার জানা নেই।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!