1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
শার্শার পল্লীতে ২০০ মৎস্যজীবি পরিবার বেকার, দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে - Dainikasharalo.com
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বেনাপোলে বিজিবি-বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক বেনাপোলে পৃথক অভিযানে মদ-ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার ৩ ভারতে জেল খেটে দেশে ফিরল তিন যুবক ও দুই যুবতী বেনাপোল সীমান্তে ৩ কেজি ৩৫০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার শার্শায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু শার্শায় ফসলের মাটি গিলে খাচ্ছে ভাটা : প্রভাবশালী সহ জড়িয়ে রয়েছে ইউপি সদস্যরা বেনাপোল পুটখালি সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ হারানো ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংশিত বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ডিমলায় সরকারী রাস্তার সাইড কর্তন দেখার কেউ নেই শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি যাত্রী এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে




শার্শার পল্লীতে ২০০ মৎস্যজীবি পরিবার বেকার, দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩২৮ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধি :
সরকারি নির্দেশে যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর খালে মাছ ধরতে না দেয়ায় গ্রামের প্রায় দুইশত পরিবার বেকার জীবন যাপন করছেন। ফলে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটছে পরিবার গুলোর।
রুদ্রপুর গ্রামের আব্দুল মালেক জানান, তার সংসারে ৮ জন সদস্য। মাছ ধরে ও বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। এক সপ্তাহ হলো তাদের জাল তুলে দেয়া হয়েছে বিল ও খাল থেকে। তারা এখন সম্পূর্ন বেকার জীবন যাপন করছেন। সংসার চলছে না তার। একই গ্রামের আকবর হোসেনের ৬ জনের সংসার। সেও মাছ ধরে জীবন ধারন করেন। রুদ্রপুরের শাহারুল, দাদখালীর তৈয়ব, ভবানীপুর গ্রামের পিন্টু ও আইউব আলীসহ প্রায় দুইশ‘ পরিবার মাছ ধরে সংসার চালায়। খালে জাল দিতে না দেয়ায় তারা মাছ ধরতে পারছেন না। তারা এখন বেকার হয়ে হয়ে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ মাছগুলো খাল দিয়ে ভারতে চলে যায়। অথচ বিনা অজুহাতে তাদের মাছ ধরতে দেয়া হয় না।
রুদ্রপুর গ্রামের আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, জৈাষ্ঠ মাসের শুরু থেকেই এ অঞ্চলের খালে বিলে ভারতের নদ-নদীর উজানের পানি আসতে শুরু করে। এবং মাঘ মাস পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে এলাকা। এতে করে সাত আট মাস যাবত খাল বিল পানিতে ডুবে থাকে। কোনো ফসল হয় না। এসময় প্রায় লোকই মাছ ধরে সংসার চালায়। মাছগুলি খাল দিয়ে ভারতে চলে যাবার পথেই এখানকার মৎস্যজীবিদের জালে আটকা পড়ে। কেবলমাত্র ত্রটিপূর্ণ স্লুইজগেটের কারনেই ভারতের উজান পানিতে ভরে যায় খাল বিল। জাল দিয়ে মাছ ধরার কারনে পানি বাধাগ্রস্ত হয়না বলেও তিনি জানান। এতে কোনো অসুবিধা হবার কথা নেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, তারা মাছের পথ আটকে মাছ ধরার কারনেই তাদের জাল তুলে নিতে বলা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে খালে মাছ ধরলে কোনো আপত্তি নেই। তবে খালের এপাশ ওপাশ আটকিয়ে মাঝখানে জালপেতে মাছ ধরলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, জালের দু‘পাশে মাছের যাতায়াতের রা¯স্ত অবশ্যই রাখতে হবে। ভ্যাসালি জাল ও খেপলা জাল দিয়েও মৎস্যজীবিরা মাছ ধরতে পারেন।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!