1. dainikasharalo@gmail.com : admin2021 :
  2. sagor201523@gmail.com : AKASH :
  3. anisurrohman2012@gmail.com : anisur : anisur rohman
  4. qtvbanglanews2018@gmail.com : sagor201523@gmail.com :
শার্শার পল্লীতে ২০০ মৎস্যজীবি পরিবার বেকার, দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে - Dainikashar Alo
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শার্শার নিজামপুর ইউনিয়নে বিতর্কিত লোককে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনায়নে ক্ষোভ শার্শায় মনোনায়ন পরিবর্তন ।।আয়নাল আউট রফিক ইন বেনাপোলে বোমা বিষ্ফোরনে তিন যুবক আহত আবারো নৌকা পেয়ে স্থানীয় এমপি শেখ আফিল উদ্দিনসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করেছেন আব্দুর রশিদ বেনাপোলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ এর গন অনশন শার্শায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা বেনাপোলে শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান বেনাপোলে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসএর বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা হয়েছে বেনাপোলে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস’র বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা হয়েছে শার্শা সীমান্ত থেকে পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিন উদ্ধার

শার্শার পল্লীতে ২০০ মৎস্যজীবি পরিবার বেকার, দিন কাটছে খেয়ে না খেয়ে

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩০ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধি :
সরকারি নির্দেশে যশোরের শার্শা উপজেলার রুদ্রপুর খালে মাছ ধরতে না দেয়ায় গ্রামের প্রায় দুইশত পরিবার বেকার জীবন যাপন করছেন। ফলে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটছে পরিবার গুলোর।
রুদ্রপুর গ্রামের আব্দুল মালেক জানান, তার সংসারে ৮ জন সদস্য। মাছ ধরে ও বিক্রি করে তাদের সংসার চলে। এক সপ্তাহ হলো তাদের জাল তুলে দেয়া হয়েছে বিল ও খাল থেকে। তারা এখন সম্পূর্ন বেকার জীবন যাপন করছেন। সংসার চলছে না তার। একই গ্রামের আকবর হোসেনের ৬ জনের সংসার। সেও মাছ ধরে জীবন ধারন করেন। রুদ্রপুরের শাহারুল, দাদখালীর তৈয়ব, ভবানীপুর গ্রামের পিন্টু ও আইউব আলীসহ প্রায় দুইশ‘ পরিবার মাছ ধরে সংসার চালায়। খালে জাল দিতে না দেয়ায় তারা মাছ ধরতে পারছেন না। তারা এখন বেকার হয়ে হয়ে পড়েছেন। তাদের অভিযোগ মাছগুলো খাল দিয়ে ভারতে চলে যায়। অথচ বিনা অজুহাতে তাদের মাছ ধরতে দেয়া হয় না।
রুদ্রপুর গ্রামের আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম জানান, জৈাষ্ঠ মাসের শুরু থেকেই এ অঞ্চলের খালে বিলে ভারতের নদ-নদীর উজানের পানি আসতে শুরু করে। এবং মাঘ মাস পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে এলাকা। এতে করে সাত আট মাস যাবত খাল বিল পানিতে ডুবে থাকে। কোনো ফসল হয় না। এসময় প্রায় লোকই মাছ ধরে সংসার চালায়। মাছগুলি খাল দিয়ে ভারতে চলে যাবার পথেই এখানকার মৎস্যজীবিদের জালে আটকা পড়ে। কেবলমাত্র ত্রটিপূর্ণ স্লুইজগেটের কারনেই ভারতের উজান পানিতে ভরে যায় খাল বিল। জাল দিয়ে মাছ ধরার কারনে পানি বাধাগ্রস্ত হয়না বলেও তিনি জানান। এতে কোনো অসুবিধা হবার কথা নেই।
এ ব্যাপারে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, তারা মাছের পথ আটকে মাছ ধরার কারনেই তাদের জাল তুলে নিতে বলা হয়েছে। সরকারি নির্দেশনা মেনে খালে মাছ ধরলে কোনো আপত্তি নেই। তবে খালের এপাশ ওপাশ আটকিয়ে মাঝখানে জালপেতে মাছ ধরলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো জানান, জালের দু‘পাশে মাছের যাতায়াতের রা¯স্ত অবশ্যই রাখতে হবে। ভ্যাসালি জাল ও খেপলা জাল দিয়েও মৎস্যজীবিরা মাছ ধরতে পারেন।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০২১
Theme Developed By ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!