1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
বেনাপোল সীমান্তের অংশে রেলের সংস্কার কার্যক্রম চলছে - Dainikasharalo.com
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তার বেহাল দশা বেনাপোল বন্ধন ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বেনাপোল সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি,ম্যাগজিন সহ আটক ০১ বেনাপোলে ০৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার শার্শার জামতলা বাজারে মায়া ডিজিটাল ষ্টোডিওতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় গাঁজা সহ আটক ৩ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বেনাপোলে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মত বিনিময় সভা যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার




বেনাপোল সীমান্তের অংশে রেলের সংস্কার কার্যক্রম চলছে

  • প্রকাশিত : সোমবার, ২১ জুন, ২০২১
  • ১৮০ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
১৯৬৫ সালে ভারত বাংলাদেশ এর কোলকাতা- খুলনা রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল এই রেল পথটি। এরপর বেনাপোল বাসির আন্দোলন সংগ্রামের পর ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে পুনরায় রেল পথটি চালু হলেও সংস্কার হয়নি। প্রথম দিকে যশোর খুলনা বেনাপোল আভ্যান্তরিন রুটে চলাচল করে ট্রেন। বর্তমানে এই সড়কটি দিয়ে ভারত থেকে খুলনা ও ঢাকা এবং আমদানি বানিজ্য পণ্য বহন করে আনে ট্রেনে। তবে রেল পথটি দীর্ঘদিন পরিত্যাক্ত থাকায় ভারত থেকে বেনাপোল এর ছোটআঁচড়া মোড় পর্যন্ত চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়ে। সম্প্রতি দু’দেশের ব্যবসা বানিজ্যের গুরুত্ব বাড়ায় বাংলাদেশের পাশে ১.৬৩ কিলোমিটার রেল পথ সংস্কার করার উদ্যেগ নিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

সরোজমিনে দেখা গেছে ব্রিটিশ আমলের নির্মিত রেল লাইন সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় বর্তমান ব্যবসার বানিজ্যর পণ্য সামগ্রি রেল পথে আনতে নানা সমস্যায় পড়েতে হচ্ছে। ১৯৯৯ সালে রেল সড়কটি চালু হলেও মেরামতের কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বেনাপোল বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন গোলদার বলেন, ব্রিটিশ সরকারের সময় ভারত বাংলাদেশ রেল সড়ক চালু হয়। এরপর ১৯৬৫ সালে একেবারে বন্ধ হয়ে যায় এই সড়কটি। বর্তমানে ব্যবসায়িরা ভারতের সাথে বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল হওয়ায় এ পথটি আমদানি রফতানি বানিজ্যর জন্য স্বাচ্ছন্দ বোধ করছে। এছাড়া ভারতের সাথে যে বারোটি স্থল বন্দর রয়েছে সবেেচয়ে কোলকাতার সাথে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা বেনাপোলের সাথে ভালো। এছাড়া রেল পথে মাল আনতেও খরচ কম। সবমিলিয়ে ব্যবসায়িরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে ব্যবসা করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ডের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন বলেন, দেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল । এপথে সরকার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। সরকারের আারো রাজস্ব বেশী আহরন করতে গেলে অবশ্যই সড়ক ও রেল যোগাযোগ উন্নয়ন করতে হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের উপর নির্ভর করে একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বেনাপোল বন্দরে রেলপথে কন্টেইনার টার্মিনাল চালু হলে ব্যবসা বানিজ্য কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে এ পথে। আর পদ্মা সেতু চালুর পর এ পথের গুরুত্ব আরো বেড়ে যাবে।
বেনাপোল রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, ভারত থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে আসতে জিরোপয়েন্ট থেকে ছোট আচড়া মোড় পর্যন্ত অত্যান্ত ঝকি ছিল। এভাবে ঝুকি নিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি ওয়াগনে বিপদের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। এছাড়া ভারত থেকে খুলনা ও ঢাকা দুটি যাত্রীবাহি ট্রেন যাতায়াত করে। এসব বিবেচনা করে রেল কর্তৃপক্ষ সংস্কারের উদ্যেগ নিয়েছে।
রেলের নির্বাহী প্রকৌশলী ওলিউর রহমান বলেন আমদানি রফতানি ব্যবসার গুরুত্ব বুঝে রেল কর্তৃপক্ষ বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে ১.৬৩ কিঃমিঃ রেল পথ সংস্কার করার কাজ হাতে নিয়েছে। যেখানে ব্যায় হবে দেড় কোটি টাকা; সময় লাগবে এক থেকে দেড় মাস।

বেনাপোল স্থল বন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল বলেন, বেনাপোল বন্দরের চাহিদা ব্যবসায়িদের কাছে অনেক । কারন এই পথ দিয়ে ভারতের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থাও ভালো। বর্তমান করোনা কালীন সময়ে রেলে পণ্য আনলে করোনা ঝুকিও অনেক কম। সবদিক বিবেচনা করে রেল সহ বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নও হাতে নিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com