1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
বেনাপোল বন্দর নানা ষড়যন্ত্রের কারনে ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা - Dainikasharalo.com
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তার বেহাল দশা বেনাপোল বন্ধন ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বেনাপোল সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি,ম্যাগজিন সহ আটক ০১ বেনাপোলে ০৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার শার্শার জামতলা বাজারে মায়া ডিজিটাল ষ্টোডিওতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় গাঁজা সহ আটক ৩ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বেনাপোলে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মত বিনিময় সভা যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার




বেনাপোল বন্দর নানা ষড়যন্ত্রের কারনে ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৫ এপ্রিল, ২০২২
  • ২৮ বার পঠিত:

আশাদুজ্জামান আশা
যশোরের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান নিয়ামক বেনাপোল স্থলবন্দর যা শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম বেনাপোলে অবস্থিত। ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ এর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। সরকারি আমদানি শুল্ক আহরণে বেনাপোল স্থল বন্দরটির ভূমিকা তাৎপর্যপূর্ণ। এখানকার মানুষের জীবিকার অন্যতম সূত্র বেনাপোল স্থল বন্দরের কাস্টমস্ ক্লিয়ারিং এজেন্টের কাজ। বেনাপোল মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম যেখানে একটি সীমান্ত তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর অবস্থিত। এই স্থল বন্দরের শুল্ক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য রয়েছে বেনাপোল কাস্টমস হাউজ। স্থল বন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করে বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ। রয়েছে ভারত বাংলাদেশ যাতায়াত এর জন্য চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশন। এই বন্দর থেকে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে প্রতিবছর রাজস্ব আয় হয়ে থাকে ৫০ হাজার কোটি টাকার উপরে। সেই বন্দরকে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করে ধ্বংসের দ্বার প্রান্তে নিয়ে আসার চেষ্ঠা অব্যাহত রয়েছে।

ঢাকার আমদানিকারক ফ্যাশন গার্মেন্টস এর ম্যানেজার মাসুদুর রহমান বলেন, বেনাপোল দিয়ে আমরা ভারতের সাথে আমদানি রফতানি বানিজ্য করে থাকি। কিন্তু এ পথে একটি বড় সিন্ডিকেটের মাধ্যেমে ওপারের কিছু চোরাচালানির সাথে আঁতাত করে আমাদের আমদানিকৃত পণ্যবাহি গাড়িত মাদক সহ ঘোষনা বহির্ভৃত পণ্য ঢুকাচ্ছে। ধরা পড়লে বিপদে পড়তে হয় আমদানি কারক ও সিএন্ডএফ ব্যবসায়িদের। আর ধরা না পড়লে লাভবান হয় ওই সিন্ডিকেট এবং চোরাচালানিরা। এছাড়া ও রয়েছে বেনাপোল বন্দর নিয়ে রাজনৈতিক সমস্যা। এখানে বন্দরের টেন্ডার, শ্রমিকদের দুটি গ্রুপ, চোরাই সিন্ডিকেটের মাধ্যেমে আমদানি পণ্য চুরি। এসব কারনে বেনাপোল বন্দর থেকে অনেক ব্যবসায়ি ইতিমধ্যে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে।

বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠনের জনৈক একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সাধারন ব্যবসায়িরা এ পথে আমদানি রফতানি বানিজ্যে অনিহা প্রকাশ করতে বাধ্য হচ্ছে। এ পথে বৈধ পণ্যর মধ্যে ঢোকানো হচ্ছে নিশিদ্ধঘোষিত ফেনসিডিল, মদ, গাজা, শিষা ও ওষুধ। এছাড়া এস এস কোড পরিবর্তন করেও সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিচ্ছে কাস্টমস এর সহযোগিতায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ি।

ঢাকার আমদানিকারক রয়েল ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিনিধি, সামাদ হোসেন বলেন, বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে সহজ হওয়ায় আমরা এ পথকে বেছে নিয়েছিলাম। বর্তমানে এ পথে আমদানি রফতানি দুটোই ঝুকি হয়ে উঠেছে। এখানকার একটি শক্তি শালী চক্র রফতানি কারক ট্রাকে সু কৌশলে প্রবেশ করাচ্ছে স্বর্ণ, ডলার। এতে করে রফতানি কারক প্রতিষ্ঠান পড়ছে বিপদে। এছাড়া ওই শক্তিশালী চক্র বন্দর এলাকা থেকে সুকৌশলে আমদানি পণ্য চুরি করে নিয়ে যায়। মাঝে মধ্যে এসব চোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের আনছার ও নাইট গার্ডরা আটক করলেও কোন এক অদৃশ্য কারনে এরা ছাড়া পেয়ে যায়।

বেনাপোল বন্দরের সিএনএফ স্ট্যাফ এ্যাসোসিয়েশন এর সাধারন সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, ভারত বাংলাদেশ এর বিরজমান সমস্যা লাগাতার লেগে আছে। একটি ঘটনার পর আর একটি ঘটনা ঘটছে। কখনো ভারতের বন্দর ব্যবহারকাীরা তাদের দাবি দাওয়ার জন্য বন্ধ করে দিচ্ছে তাদের আমদানি রফতানি ব্যবসা। আবার বিএসএফ ও কালিতলা পার্কিংয়ের হয়রানি। এপাশে ও ফাইল নিয়ে কাস্টমস হাউজে গেলে তারাও নানা কৌশলে হয়রানি করে থাকে। অন্যদিকে বন্দর এলাকায় মাঝে মধ্যে আমদানি পণ্যর মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় নিশিদ্ধ ঘোষিত পণ্য ও ঘোষনা বহির্ভুত পণ্য। নানা কারনে ব্যবসায়িরা এ পথে ব্যবসা করতে আগ্রহ হারাচ্ছে।

এছাড়া এ বন্দরে রয়েছে দখলবাজরা। কয়েকবার বন্দরকে কেন্দ্র করে এখানে বোমা হামলা এবং এবং দখলবাজীর ঘটনা ঘটেছে। ২০১৮ সালের শ্রমিকদের একটি অংশ জনৈক প্রভাবশালী মহলের চাপে বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন রেজিঃ ৯২৫ দখল করে নেয়। মুুর্হু মুর্হু বোমা হামলা করে ওই সংঘটনের সাধারন সম্পাদক রাশেদ আলীকে হত্যার চেষ্টা ও করে। রাশেদ আলী প্রানে বেঁচে যায়। এরপর থেকে দখলদাররা ৯২৫ সংগঠনটি চালিয়ে আসছে। সম্প্রতি গত ২৮ মার্চ আবারও বেনাপোল বন্দরে বোমা হামলা হয়। গুঞ্জন রয়েছে ৯২৫ শ্রমিক ইউনিয়ন সংগঠনটি দখল করার। তাদের সে চেষ্টা ব্যার্থ হয়। এই ঘটনায় সাবেক সাধারন সম্পাদক রাশেদ আলীকে দায়ি করে বেনাপোল থানায় মামলা হয়। এবং রাশেদ আলী এ মামলায় গ্রেফতারও হয়।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের একটি সুত্র জানায়, নানা কারনে সম্প্রতি সময়ের কয়েক বছর রাজস্ব ঘাটতি হচ্ছে লক্ষমাত্রা থেকে। এর মধ্যে ভারতের কালিতলা পার্কিংয়ে সময় বেশী, বিএসএফ এর হয়রানির কারনে ব্যবসায়িরা এ পথে আমদানি করতে আগ্রহ হারায় ফেলছে। ]
বেনাপোল স্থল বন্দরের উপপরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, বেনাপোল স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবাসায়িদের সকল কাজে সহযোগিতা করে থাকে। তবে কোন অসাধু ব্যবসায়িরা যদি কোন চোরাচালানি পণ্য এনে থাকে বা আনার চেষ্টা করে তার সাথে বেনাপোল বন্দরের কোন কর্মকর্তা কর্মচারি দায়ি নয়। এছাড়া এটা পরীক্ষনের দায়িত্বও বন্দর কর্তৃপক্ষের নয়।

বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমানকে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

 

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com