1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
বেনাপোলে লকডাউনের মধ্যে ঋণের টাকার জন্য এনজিও কর্মীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে - Dainikasharalo.com
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বেনাপোলে বিজিবি-বিএসএফ সেক্টর কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক বেনাপোলে পৃথক অভিযানে মদ-ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার ৩ ভারতে জেল খেটে দেশে ফিরল তিন যুবক ও দুই যুবতী বেনাপোল সীমান্তে ৩ কেজি ৩৫০ গ্রাম স্বর্ণ উদ্ধার শার্শায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক নারীর মৃত্যু শার্শায় ফসলের মাটি গিলে খাচ্ছে ভাটা : প্রভাবশালী সহ জড়িয়ে রয়েছে ইউপি সদস্যরা বেনাপোল পুটখালি সীমান্ত থেকে প্রায় দুই কেজি স্বর্ণসহ আটক ২ হারানো ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়ে প্রশংশিত বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ডিমলায় সরকারী রাস্তার সাইড কর্তন দেখার কেউ নেই শার্শায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি যাত্রী এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে




বেনাপোলে লকডাউনের মধ্যে ঋণের টাকার জন্য এনজিও কর্মীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে

  • প্রকাশিত : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১
  • ৪৮৪ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
বন্দরনগরী বেনাপোলে এনজিও কর্মীরা লকডাউনের মধ্যে কিস্তি আদায়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এসব এনজিও কর্মীদের অত্যাচারে নাজেহাল হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের ঋন গ্রহীতারা। ঋনের কিস্তি দিতে হিম শিম খাচ্ছে তারা। ছোট খাট ব্যবসায়িরা ঋণ নিয়ে তাদের ব্যবসার কার্যক্রম চালান। এছাড়া অনেকে এনজিও থেকে ঋন নিয়ে ইজিবাইক, থ্রি-হুইলার, ভ্যান, আলমসাধৃসহ বিভিন্ন যানবাহন কিনে চালিয়ে তা থেকে আয় করে জীবিকা নির্বাহ করেন ও ঋণের কিস্তি চালান।

সীমন্তের এই শহরে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মৃত্যু ও আক্রান্তের হার বাড়তে থাকায় সরকার দেশ জুড়ে কঠোর লকডাউন ঘোষনা করে। ফলে সরকারি বেসরকারি অফিস- আদালত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আয় রোজগার বন্ধ হয়ে যায় অনেকে মানুষের। এমন পরিস্থিতিতে এনজিওর ঋণের কিস্তি দিতে হিম শিম খাচ্ছেন নিম্ন আয়ের ঋণ গ্রীতারা।

অধিকাংশ এনজিও বিবাহিত নারীদের সমিতির মাধ্যেমে ঋন দিয়ে থাকে। এমন সময়ে এ সকল ভুক্তভোগি খেটে খাওয়া ঋণ গ্রহীতা যখন তাদের সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে; তখন এনজিও কর্মীরা বাড়ি বাড়ি কিস্তি আদায়ের জন্য ধরনা দিচ্ছেন, চাপ সৃষ্টি করে কিস্তি আদায় করা হচ্ছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার দিঘিরপাড়, ভবেরবেড়, নারানপুর, কাগজপুকুর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেন । তারা বলে এসময় আমাদের খাবার যোগাড় করা কঠিন । তারপর এনজিও কর্মীরা মামলা হামলার ভয় দেখিয়ে কিস্তি আদায় করছে। দিঘিরপাড় গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, সে একটি ইজিবাইক কিনেছে ব্র্যাক থেকে লোন নিয়ে। এখন রাস্তায় উঠা যাচ্ছে না। কিন্তু ওই এনজিও কর্মীরা এসে ঋণের টাকার জন্য চাপ দিচ্ছেএবং হুমকি দিচ্ছে টাকা না দিলে ইজিবাইক নিয়ে যাবে।
বেনাপোল পৌরসভার ৫ নং দিঘিরপাড় ওয়ার্ডের কাউন্সিলার রাশেদ আলী বলেন, গ্রামের মানুষ তার নিকট অভিযোগ করছে। লকডাউনের মধ্যে তারা খেতে পারছে না তারপর আবার কিস্তির জন্য চাপ। তিনি বলেন ব্র্যাক, গ্রামীন ব্যাংক, আশা সহ কয়েকটি এনজিও গ্রামে এসে দাপট দেখাচ্ছে। তারা কিস্তি না দিলে মামলারও হুমকি দিচ্ছে সদস্যদের।

ঋণ এর টাকা লকডাউনের সময় বন্ধ রাখার কোন সরকারী নির্দেশনা আছে কি না জানতে চেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মীর আলীফ রেজা ও সহকারী কমিশনার রাসনা শারমীন মিথির কাছে ফোন করলে তারা ফোন রিসভ করেন নাই।

 

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!