1. dainikasharalo@gmail.com : admin2021 :
  2. sagor201523@gmail.com : AKASH :
  3. anisurrohman2012@gmail.com : anisur : anisur rohman
  4. qtvbanglanews2018@gmail.com : sagor201523@gmail.com :
বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয় - আশরাফুল আলম লিটন - Dainikasharalo.com
সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার ছাত্রীদের তোপের মুখে জবির হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বেনাপোল চেকপোষ্ট কাস্টমস থেকে ১,৭০,০০০মার্কিন ডলার সহ দুইজন আটক বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে বিপুল পরিমান মার্কিন ডলার সহ দুই জন আটক দূর্গাপূজায় সম্প্রীতি নষ্ট করলে কঠোর ব্যবস্থা শার্শায় প্রেমিকের সাথে কিশোরী আটকের পর গণধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতার ২ কয়রায় গবাদিপশুর অবাধ বিচরণে ঘটছে দুর্ঘটনা, জনমনে অশান্তি  সাফে ইতিহাস গড়ে বীরবেশে দেশে চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা শিশুদের উন্নয়নে কাজ করছে নড়াইল চাইল্ড ফোরাম




বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয় — আশরাফুল আলম লিটন

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৭ আগস্ট, ২০২২
  • ৪ বার পঠিত:

মোঃ আনিছুর রহমান
যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর সভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন, জামাত বিএনপি আগষ্ট মাসকে বাংলাদেশের এই মানচিত্রকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তারা জঙ্গিবাদের উত্থান ও তাদের ক্ষমতা সারা বিশ্বকে জানিয়েছিল। জাতির জনকের কন্যা আমাদের জননেত্রী ৭৫ পরবর্তী ১৯৮১ সালে এদেশে এসে সমগ্র নির্যাতিত নিপিড়ীত মানুষকে একত্রিত করে কাজ করছিল । সেই জননেত্রীকে ও ওই জামাত বিএনপির ঘাতকেরা বুলেট মেরে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট হত্যা করতে চেয়েছিল। এই নেত্রী অনেক সংগ্রাম করে লড়াই করে ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসে এবং তখন থেকে তাকে হত্যা করার জন্য বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকে।বাঙালির মহাজাগরণের পথিকৃৎ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অকুতোভয়। তিনি অন্যায়ের কাছে কখনো মাথা নত করেননি। বঙ্গবন্ধুর একমাত্র লক্ষ ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মাধ্যমে জনগণের ভাগ্যের উন্নয়ন করা। তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন বাঙালির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন। শার্শার ডিহি ইউনিয়নের শাড়াতলা হাইস্কুল মাঠে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন সাবেক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

 

বুধবার বিকাল ৫ টার সময় শার্শার ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের আয়োজনে শাড়াতলা স্কুল মাঠে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের এবং ১৯৭৫ সালের সকল শহীদদের ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকীতে সভাপতিত্ব করেন ডিহি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী।

প্রধান অতিথি আশরাফুল আলম লিটন বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ইতিহাস সংগ্রাম লড়্ইা ও গৌরব এর ইতিহাস বহন করে। এই আওয়ামীলীগ মানচিত্র দিয়েছে ,এই আওয়ামীলীগ লাল সবুজের পতাকা দিয়েছে, এই আওয়ামীলীগ স্বাধীন ভুখন্ড দিয়েছে, এই আওয়ামীলীগ এখন বাংলাদেশকে উন্নয়নের মহাসড়কে নিয়ে গেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এই বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে নিজের হাতে গড়েছেন। তিনি তার জীবনকে বাজি রেখে যৌবনে ১২ বছর জেল খেটেছেন। বারংবার তিনি জেল খেটে আবার এসে তিনি মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তার পরিবার এদেশের মানুষের সাথে কোন দিন বেঈমানি করে না। আমরা অনেকে আওয়ামীলীগ করি অথচ জয় বাংলা শ্লোগান বলতে পারি না। আওয়ামীলীগের ক্ষমতা নিয়ে মানুষের কাছ থেকে আমরা আনন্দ কিনে নেই। আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারন করি । বঙ্গবন্ধু কখনো কোন মানুষকে বেইজ্জতি করতেন না কখনো কোন মানুষকে অসন্মান করতেন না। তিনি কোন সময় লোভি ছিলেন না। নিজের সম্পদ নিয়ে চিন্তা করতেন না। বঙ্গবন্ধু কারো অনিষ্টের কারন ছিলেন না। তিনি মানুষকে ভালবাসতেন। তার একটি চাহিদা ছিল এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটানো। এর জন্য তাকে হত্যা করা হলো আর বাংলাদেশ পিছিয়ে গেল। আজ আওয়ামীলীগের মধ্যে কিছু জামাত বিএনপির লোক ঢুকে আওয়ামীলীগকে বদনাম করছে। এরা লেবাজ পরিবর্তন করে যুদ্ধ অপরাধিদের এজেন্ড বাস্তাবায়ন করছে।

এসময় তিনি বলেন শার্শা মানুষকে ভাল রাখতে একটাই আন্দোলন করতে হবে তারা যেন শান্তি স্বস্থিতে থাকতে পারে। এই ভুমির মানুষ এই মাটির মানুষ এখানে বেড়ে বড় হয়েছে এখানকার ফসল উৎপাদন ও খেয়ে পরে তাদের রক্ত মিশে গেছে এই মাটির সাথে। তাদের এই মাটির প্রতি ভালবাসা থাকবে তা অন্য কোথা থেকে আসা কোন লোকের সেই ভালবাসা সেই মায়া মমতা থাকবে না। তাই আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এক হয়ে আগামিতে শার্শাকে শান্তিতে রুপান্তরিত করতে কাজ করতে হবে। প্রকৃত আওয়ামীলীগের হাতে তাদের রাজনীতি ফিরিয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন জননেত্রী শেখ হাসিনা জীবনের মায়া না করে পিতার দেখানো স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে ১৯৮১ সালে এদেশে এসে হাজার হাজার মাইল হেটে কাজ করে গেছেন। আর সেই নেত্রীকে এদেশের কুচক্রী মহল ও হত্যা করার জন্য চেষ্টা করেছে। জামাত বিএনপির ওই কুচক্রীরা ২০০৫ সালে ১৭ আগষ্ট এক সাথে দেশের ৬৪ টি জেলায় বোমা বিস্ফোরন ঘটিয়ে তাদের শক্তিতে জানান দেয়। কিন্তু তারা পারেনি তাদের সেই ষড়যন্ত্রকে কাজে লাগাতে।

প্রধান অতিথি আশারাফুল আলম লিটন বলেন,বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আদায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর আপোষহীন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা অর্জন পর্যন্ত বাঙালির সকল প্রাপ্তিই এসেছে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলার জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মুক্তির জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আপোষহীন। তিনি বাঙালি জাতিকে দারিদ্র্য ও বৈষম্য থেকে মুক্ত করার জন্য আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। ইতিহাসে মৃত্যুহীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার। বিভিন্ন সময়ে দেওয়া তার বক্তব্য পর্যালোচনা করলে আমরা তা দেখতে পাই। বঙ্গবন্ধু যে স্বপ্ন লালন করে দেশের মানুষের মুক্তিসংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন, জীবন দিয়েছেন- সেই স্বপ্ন আজও শুধু পথ খুঁজে বেড়ায়। তিনি যে সোনার বাংলার রূপকল্প করেছিলেন, যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই বাংলার স্বরূপটি এখনো অনুজ্জ্বল।সারাজীবন তিনি দুঃখী মানুষের জন্য সংগ্রাম করেছেন। মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন। নিজে খুব সুখী জীবনযাপন করতে পারেননি। তাঁর বুকে শিশু রাসেলের ছবির প্রতি দৃষ্টি দিলে তাঁর সরলতার একটা দিক আমরা অনুমান করতে পারি।

তিনি আরো বলেন, জাতির জনক কখনো ভাবেননি যাদের ওপর আস্থা রেখেছিলেন, তারাই ঘাতক লেলিয়ে দিয়ে নিষ্ঠুরভাবে তাঁর জীবন কেড়ে নেবে। সেই কথিত বিশ্বস্তরা খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর রাষ্ট্রীয় মতার মসনদে বসে। ‘কারাগারের রোজনামচা’র দিকে নজর দিলে আমরা দেখতে পাই, বঙ্গবন্ধু অনেক আগেই বিশ্বাসঘাতকদের বিষয়ে ধারণা পেয়েছিলেন। বলেছেন, ‘বাংলাদেশ শুধু কিছু বিশ্বাসঘাতকের জন্য সারা জীবন দুঃখ করল।’সেই অবিশ্বাসীদের তালিকা কি পরবর্তী সময়ে ছোট হয়েছিল? না। এই তালিকা কখনো ছোট হওয়ার নয়। এখনো মতার মসনদের আশপাশে তাদের কালো শ্বাস পড়ে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে এখনো ভুল বুঝিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিলে ব্যস্ত।

প্রধান অতিথি আশরাফুল আলম লিটন আরো বলেন,দলের নাম ভাঙিয়ে অনেকে দিনে দিনে হয়ে উঠেছে দানব। তাদের সব লাগবে। ব্যাংক লাগবে। জমি লাগবে। বাড়ি লাগবে। গাড়ি লাগবে। শিল্প-কারখানা লাগবে। লাইসেন্স লাগবে। এসব সুবিধাভোগী শ্রেণির দেখা বঙ্গবন্ধু পেয়েছিলেন। কিন্তু তিনি তাদের সবাইকে পুরোপুরি অবিশ্বাস করেননি। আবার মুখে বলেও ফেলেছেন, ‘সবাই পায় সোনার খনি, আমি পাই চোরের খনি। আর এই চোরের দল আমার দুঃখী মানুষের সর্বনাশ করে এভাবে লুটতরাজ করে খায়।’
তিনি বলেন বঙ্গবন্ধু কবিতার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছিলেন, ‘মাঝে মাঝে আমরা অমানুষ হয়ে যাই। এত রক্ত দেওয়ার পর যে স্বাধীনতা এনেছি, চরিত্রের পরিবর্তন অনেকের হয়নি। এখনো সুদখোর, দুর্নীতিবাজ, চোরাকারবারি, মুনাফাখোর বাংলার দুঃখী মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলছে। দীর্ঘ তিন বছর পর্যন্ত এদেরকে আমি অনুরোধ করেছি- ‘চোরা নাহি শোনে ধর্মের কাহিনি।’‘কিন্তু আর না। বাংলার মানুষের জন্য জীবন আর যৌবন আমি কারাগারে কাটিয়েছি। এই মানুষের দুঃখ দেখে আমি পাগল হয়ে যাই। পাকিস্তানিরা কাগজ ছাড়া আমার কাছে কিছু রেখে যায়নি। বিদেশ থেকে ভিা করে আমাকে আনতে হয়। আর এই চোরের দল আমার দুঃখী মানুষের সর্বনাশ করে এভাবে লুটতরাজ করে খায়। এই বাংলার মাটি থেকে দুর্নীতিবাজ, ঘুষখোর, মুনাফাখোরদের নির্মূল করতে হবে। আমি প্রতিজ্ঞা নিয়েছি, তোমরা প্রতিজ্ঞা নাও। বাংলার জনগণও প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করুক। আর না। ধৈর্যের সীমা হারিয়ে ফেলেছি। এ জন্য জীবন আর যৌবন নষ্ট করি নাই। কয়েকটা চোরাকারবারি, মুনাফাখোর, ঘুষখোর দেশের সম্পদ বাইরে বাইর করে দিয়া আসে। জিনিসপত্র গুদাম করে মানুষকে না খাইয়ে মারে। উৎখাত করতে হবে বাংলার বুক থেকে এদের।’
বঙ্গবন্ধুর সেই যে সংশয়, হুঁশিয়ারি, অনুরোধ- সবকিছুই আজও প্রাসঙ্গিক। একটি স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন। তিনি ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ই তাঁর স্বপ্ন পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়ায় দুর্নীতিবাজরা, বিদেশে অর্থ পাচারকারী, চোরাকারবারি, মুনাফাখোর, অবৈধ সম্পদশালীরা। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর এসে আজকে আমরা কী দেখছি? দুর্নীতিবাজ, অর্থপাচারকারীদের কাছে আজও দেশের মানুষ জিম্মি। আজও দানবীয় কায়দায় দখলবাজি, লুটপাট চলছে। হাজার হাজার কোটি টাকা চলে গেছে দেশের বাইরে। মানুষকে বোকা বানিয়ে অনেকেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে। এখনো অনেকেই জানে না বঙ্গবন্ধু কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন।
মুখে বঙ্গবন্ধু বলতে বলতে ফেনা তুলে ফেলে, ভেতরে ভেতরে দেশকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করতে কাজ করে। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসা মানে দেশকে ভালোবাসা। দেশের মানুষকে ভালোবাসা। বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসা মানে তাঁর নাম ব্যবহার করে লুটপাট করা নয়। দুর্নীতি করা নয়। সিন্ডিকেট করা নয়। নিজের আখের গোছানো নয়।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়তে হলে এখনো আমাদের অনেক কাজ করতে হবে। সব ধরনের দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে হবে। দেশের বাইরে পাচার হওয়া অর্থ ফিরিয়ে এনে দেশের অর্থনৈতিক সংকট সমাধানে কাজে লাগাতে হবে। শিল্প-কারখানা তৈরি করে বেকার সমস্যার সমাধান করতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে তেলবাজি বন্ধ করতে হবে। নিজের কাজটা যত্নের সঙ্গে করতে হবে। মিথ্যাচার, জোচ্চুরি বন্ধ করতে হবে। সুবিধাবাদী লীগ চিরতরে বন্ধ করতে হবে। সব মানুষের সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। মানুষের কষ্ট অনুধাবন করে তাদের জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। বিপন্ন মানুষের সাথে প্রতারণা বন্ধ করতে হবে। যারা সিন্ডিকেট করে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় তাদের রশি দিয়ে বেঁধে জেলে ভরতে হবে। সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের সঙ্গে একাত্ম হয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com