1. dainikasharalo@gmail.com : admin2021 :
  2. sagor201523@gmail.com : AKASH :
  3. anisurrohman2012@gmail.com : anisur : anisur rohman
  4. qtvbanglanews2018@gmail.com : sagor201523@gmail.com :
বাংলাদেশি অনেক তরুনী ভারতে পাচার হয়ে হারাচ্ছে সম্ভ্রম - Dainikashar Alo
সোমবার, ২৫ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শার্শার নিজামপুর ইউনিয়নে বিতর্কিত লোককে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনায়নে ক্ষোভ শার্শায় মনোনায়ন পরিবর্তন ।।আয়নাল আউট রফিক ইন বেনাপোলে বোমা বিষ্ফোরনে তিন যুবক আহত আবারো নৌকা পেয়ে স্থানীয় এমপি শেখ আফিল উদ্দিনসহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করেছেন আব্দুর রশিদ বেনাপোলে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ এর গন অনশন শার্শায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উদযাপন উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা বেনাপোলে শেখ রাসেলের ৫৮ তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠান বেনাপোলে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসএর বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা হয়েছে বেনাপোলে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস’র বিরুদ্ধে সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা হয়েছে শার্শা সীমান্ত থেকে পিস্তল, গুলি, ম্যাগজিন উদ্ধার

বাংলাদেশি অনেক তরুনী ভারতে পাচার হয়ে হারাচ্ছে সম্ভ্রম

  • প্রকাশিত : শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১
  • ৪২ বার পঠিত:

মোঃ আনিছুর রহমানঃ
সীমান্ত এলাকা দিয়ে মাদক ও অস্ত্র পাচারের পর তৃতীয় বৃহত্তম ব্যবসা মানব পাচার। এর একটি বড় ঘাঁটি রয়েছে বাংলাদেশের বেনাপোল,ও শার্শা সীমান্ত। আর ওপারে ভারতের পেট্রাপোল আংরাইল সীমান্ত। পাচারের শিকার অনেক মেয়ের সাক্ষাতে উঠে এসেছে তাদের যন্ত্রনা দায়ক নির্যাতনের কাহিনী। পাচার হয়ে এরা হারাচ্ছে সম্ভ্রম।

গত সেপ্টেম্বর-২০২১ মাসে ভারতের বিভিন্ন শহরে ঝুকি পুর্ন কাজ করে ২ থেকে ৩ বছর জেল খেটে দেশে ফিরেছে বেনাপোল চেকপোষ্ট হয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে ৪১ জন কিশোরী ও তরুনী। ২ সেপ্টেম্বর বেনাপোল দিয়ে ফেরত আসে ৭ জন তরুনী, ২০ সেপেম্বর ২০ জন কিশোরী ও তরুনী, ২৩ সেপ্টেম্বর ২ জন তরুনী ও ৩০ সেপ্টেম্বর আসে ১২ তরুনী। এদের সকলের বয়স ১৩ থেকে ২৫ এর মধ্যে। এসব তরুনী দেশে ফিরে কিছু মর্মান্তিক নির্যাতনের কথা শুনিয়েছে। পিরোজপুর জেলার মুক্তা আক্তার ভারতে তিন বছর জেল খেটে দেশে ফিরে গত ২০ সেপ্টেম্বর জানায় দালালদের খপ্পরে পড়ে ভালো চাকরির আশায় গত তিন বছর আগে গিয়েছিলাম ভারতে মোম্বাই শহরে। সেখানে গেলে আমাকে একটি ঘরে আটকিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। প্রতিটি দিন কমপক্ষে ৫ থেকে ২০ বার ধর্ষন করে পাষন্ডরা। আর এক সপ্তাহর বেশী কোথাও রাখে না। তারা জায়গা বদলায়। এই অমানসিক পাশবিক নির্যাতনে আমার সমস্থ শরীরে ঘা হয়ে যায়। এরপর আমাকে মোম্বাই থেকে পুনে নামক একটি শহরে নেওয়ার পথে আমি কৌশলে পালিয়ে যাই। এরপর সে দেশের পুলিশ আমাকে আটক করে জেল খানায় পাঠায়। বাগের হাট জেলার লাবনী আক্তার ফিরে এসে বলে আমাকে আটকিয়ে প্রতিদিন ১৬ বছরের ছেলে থেকে ৮০ বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত ধর্ষন করেছে। ওই খানে কম বয়সী মেয়েদের চাহিদা বেশী। এমন ভাবে তারা লাগাতার তাকে ধর্ষন ও যৌন নির্যাতন করে যে পালাবার বা প্রতিবাদ করার শক্তিটুকু পর্যন্ত হারিয়ে ফেলি। দিনে এক দুবার নয় অনেক সময় ৫ থেকে ১০ বার ধর্ষণ এর শিকার হতে হয়েছে। এই ভাবে বর্ননা করেন আরো পাচার এর শিকার হয়ে দেশে ফেরা তরুনীরা।

সুত্র মতে যারা পাচার করে তাদের হাত অনেক লম্বা। তাছাড়া ওপর মহলের সাথে ভালো যোগসাজস আছে এই চক্রের। কাকে কোথায়, কিভাবে সাপ্লাই করতে হবে সে সব প্লান আগে থেকেই তৈরী থাকে। শুধু তাই নয় এসব দালালরা যে সব মেয়েদের বিক্রি করে ভারতের পতিতালয়ে তার আগে চুটিয়ে এদের ভোগ করে। এরপর খরিদ্দাররা তো আছেই। বাজারে মেয়েদের চাহিদা বেশী থাকায় দামও পাওয়া যায় ভালো। অপহৃত বা পাচার হওয়া করা মেয়েদের জায়গা হয় শুধু নিশিদ্ধ পল্লিতে নয় তার বাইরেও হয়। আর সেটা হয় হোয়াটসআ্যাপের মাধ্যেমে।
এসব মেয়েরা পাচার হয় অভিনয়ের মাধ্যেমে ও প্রেমের মাধ্যেমে। এসব দালালরা গ্রামের গরিব পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করে । প্রয়োজনে তাদের অভিভাবকদের অগ্রিম কিছু টাকাও দিয়ে দেয়। ভাল মাইনের কথা বলে এসব পরিবারকে বুঝিয়ে তাদের সহজ সরল মেয়েদের নিয়ে যায় নিশিদ্ধ পল্লিতে। আর নাবালিকা মেয়ে হলে বেশী দামে বিক্রি করে। অনেকে প্রেম ভালবাসার কথা বলে অভিনয় করে বিয়ে করে তারপর তাদের নিয়ে যাওয়া হয় ভারতের বিভিন্ন শহরে। পরে মোটা টাকার বিনিময়ে জোর করে অন্য লোকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দেয়া হয়।
বিশ্বস্থ সুত্র জানায় বেনাপোল এর পুটখালী. দৌলতপুর, সাদিপুর, রঘুনাথপুর দিয়ে এবং শার্শার কায়বা, রুদ্্রপুর, গোগা, অগ্রভুলোট সীমান্ত দিয়ে পাচার হয় এসব কিশোর ও তরুনীরা।
তবে দারিদ্র ছাড়া অন্য কারণও আছে । যেমন বন্যা, খরা, সন্ত্রাস বা সরকারী সুযোগ সুবিধা না থাকার কারনে অন্যত্র যেতে গিয়ে ছেলে মেয়েরা পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে। ছেলেরা পড়ে বেগার শ্রমিকের যাঁতাকলে আর মেয়েদের কথাতো বলা হয়েছে। মেয়েরা কেউ যায় পতিতা পল্লীতে আর কেউ হয় রক্ষিতা।

স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ি এম এ মুন্নাফ বলেন, সীমান্ত দিয়ে কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতায় নারী ও শিশু পাচার চক্রের সদস্যরা যোগসাজসে এসব পাচার কার্য করে থাকে।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮-২০২১
Theme Developed By ThemesBazar.Com
error: Content is protected !!