1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
পরাধীন ভুমির আরাধণার সন্তান, যে সন্তান তার ত্যাগ তিতিক্ষা লড়াই সংগ্রাম এবং অর্জনের মধ্যে দিয়ে এই ভুমির স্বাধীনতা অর্জন করেছেন তিনিই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান - আশরাফুল আলম লিটন - Dainikasharalo.com
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তার বেহাল দশা বেনাপোল বন্ধন ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বেনাপোল সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি,ম্যাগজিন সহ আটক ০১ বেনাপোলে ০৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার শার্শার জামতলা বাজারে মায়া ডিজিটাল ষ্টোডিওতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় গাঁজা সহ আটক ৩ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বেনাপোলে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মত বিনিময় সভা যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার




পরাধীন ভুমির আরাধণার সন্তান, যে সন্তান তার ত্যাগ তিতিক্ষা লড়াই সংগ্রাম এবং অর্জনের মধ্যে দিয়ে এই ভুমির স্বাধীনতা অর্জন করেছেন তিনিই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান —- আশরাফুল আলম লিটন

  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ১১ বার পঠিত:

পরাধীন ভুমির আরাধণার সন্তান, যে সন্তান তার ত্যাগ তিতিক্ষা লড়াই সংগ্রাম এবং অর্জনের মধ্যে দিয়ে এই ভুমির স্বাধীনতা অর্জন করেছেন তিনিই জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান
—- আশরাফুল আলম লিটন
বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সাবেক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছে, পরাধীন ভুমির আরাধণার সন্তান, যে সন্তান তার ত্যাগ তিতিক্ষা লড়াই সংগ্রাম এবং অর্জনের মধ্যে দিয়ে এই ভুমির স্বাধীনতা এবং এই ভুমির পবিত্রতা রক্ষা করেছেন,সেই সন্তান এই বাংলার মানুষকে তার ত্যাগ তিতিক্ষা ও সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে জেল জুলুম ও অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেও এদেশের মানুষকে ভালবেসে গেছেন। দিয়ে গেছেন আমাদের লাল সবুজের একটি স্বাধীন সার্বোভৌম পবিত্র ভুমি। তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এমন একটি সংগঠন, যার নেতৃত্বে এদেশে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়, যার নেতৃত্বে এদেশে উন্নয়ন হয়,এই সংগঠনের নেতৃত্বে সকল শ্রেনী পেশার মানুষকে নিরাপত্তার বেষ্টনীর মধ্যে রাখা হয়। আওয়ামীলীগ সরককারের অবদান বিধবা ও পঙ্গুদের ভাতা প্রদান। আওয়ামীলীগ সরকারের অবদান গর্বধারন মায়েদের ভাতা স্বাস্থ’্য চিকিৎসা নিশ্চিত করা। বৃহস্পতিবার শার্শা অডিটরিয়মে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে কেক কাটা ও আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধান অতিথি হিসাবে সাবেক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকাল ৫ টার সময় শার্শা অডিটরিয়মে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ইলিয়াছ আযম।

প্রধান অতিথি আশরাফুল আলম লিটন বলেন,আওয়ামীলীগ শুধু দেশের পূরনো ও সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দলই নয়, এটি হচ্ছে গণতন্ত্র ও অসাম্প্রদায়িক ভাবাদর্শের মূলধারাও। প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত নানা আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ আমাদের সমাজ-রাজনীতির এ ধারাকে নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি এ দলটিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন সংগঠন হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ভাষা, স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা অর্জনে মহোত্তম গৌরবে অভিষিক্ত আওয়ামী লীগের কয়েক দশকের অভিযাত্রায় শান্তি, সমৃদ্ধি ও দিন বদলের লক্ষ্যে অবিচল বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারী। আওয়ামী লীগ ‘পাকিস্তান’ নামের অবৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক ও নৃতাত্ত্বিকভাবে এক উদ্ভট রাষ্ট্রের পূর্ব বাংলার বাঙালি জনগোষ্ঠী ও অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিসত্তাকে অবজ্ঞায়, অবহেলায় ও ঔপনিবেশিক কায়দায় শোষণ-পীড়ন-দমন ও দাবিয়ে রাখার বিরুদ্ধে লাগাতার প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং গণসংগ্রামের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা বিপুল জনপ্রিয় একটি রাজনৈতিক দল। ৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, আইযুবের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন ৬৪’র দাঙ্গার পর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা ৬৬’র ছয় দফা আন্দোলন ও ৬৯’র গনঅভ্যুত্থানের পথ বেয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের ২৪ বছরেরর আপসহীন সংগ্রাম লড়াই এবং ১৯৭১ সালের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধ তথা সশস্ত্র জনযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ওই বছরের ১৬ ডিসেম্বর চুড়ান্ত বিজয় অর্জনের মধ্যেদিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালির হাজার বছরের লালিত স্বপ্নের ফসল স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন জাতির জনক বুঝতে পেরেছিলেন বৃটিশ শাসকদের চেয়ে কম ভয়ানক নয় পাকিস্থানীরা শাসকরা। এরা বৃটিশ এর চেয়ে বেশী অত্যাচার করবে বাঙ্গালীকে।এটা বুঝতে পেরে তিনি তখন থেকে কাজ করে বার বার জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতন এবং তার জীবনের শ্রেষ্ট সময় প্রায় ১৪ টি বছর জেল খেটে এদেশের মানুষকে দিয়ে গেছেন একটি লাল সবুজের স্বাধীন সার্বোভৌম রাষ্ট্র।‘ প্রত্যেকটি জায়গায় ছিল বাঙ্গালীর অধিকার আদায়ের। তিনি নিরলস কাজ করে শেষ পর্যান্ত তার পরিবারের রক্ত দিয়ে গেছেন। যা পৃথিবীর ইতিহাসে চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে। এই দেশে যা কিছু ভালো হয়েছে তা এই আওয়ামীলীগের দ্বারা হয়েছে। জাতির জনক কখনো নিজে আগ বাড়িয়ে নিজে কোন সিদ্ধান্ত নেন নাই। তিনি প্রত্যেকটি বিষয় জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন। ৬৬ ’র ছয় দফায় তিনি জাতিকে সংঘবদ্ধ করেছেন পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় এই দফার কথা পৌছে দিয়েছেন। ৬৯এর গন অভ্যুত্থানে তিনি সমগ্র জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে ছিলেন। ৭০ এর নির্বাচনের কথাও সকলের জানা। ওই নির্বাচনে সকল সিটে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জয়ী হয়েছিল। আপনারা জানেন আমাদের মায়েরা স্বপ্ন দেখেছিল এই নির্যাতন অত্যাচার থেকে আমাদের মুক্তি করবে এমন একটি সন্তান আমাদের প্রয়োজন। সেই সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুডিজবুর রহমান। মাত্র ৯ মাসে যে স্বাধীনতা আমরা পেয়েছি সেই স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল জাতির জনকের আহবানে এবং এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে। জাতির জনক যখন এই দেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। তখন এদেশের কিছু পাকিস্তানী ভাবধারার মানুষ জাতির জনককে হত্যা করে স্বাধীনতা টুকরো টুকরো করতে ছেয়েছিল। কিন্ত ষড়যন্ত্রকারীরা তা করতে পারেনি। তার কন্যা ১৯৮১ সালে দেশে এসে পিতার স্বপ্নকে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে মাঠে নামল।
তিনি আরো বলেন শেখ হাসিনা যখন জামাত বিএনপি থেকে এদেশকে রক্ষা করতে মাঠে নামল তখন তাকেও হত্যার উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র্রকারীরা বার বার চেষ্টা করতে লাগল। তিনি হাজার হাজার মেঠো পথ হেটেছেন এবং অবশেষে দীর্ঘ ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে মুক্তিযোদ্ধা বাবাদের মর্যদা দিলেন। যে সব জনপ্রিয় নেতাদের হত্যা করা হচ্ছে, পিতার সামনে পুত্রকে হত্যা করা হচ্ছে, স্ত্রীর সামনে স্বামীকে হত্যা করা হচ্ছে তখন তিনি দেশে এসে সন্ত্রাসী বিএনপি জামাত এর হাত থেকে বাচানোর জন্য তাদের দায়িত্ব হাতে নিলেন। রাজাকাররা এদেশে গাড়িতে পতাকা লাগিয়ে ঘুরছে আর মুক্তিযোদ্ধারা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছে। জাতির জনকের কন্যা সেই মুক্তি যোদ্ধাদের ক্ষমতায় এসে আগে সন্মনে ভুষিত করলেন।
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কৃষকের সার নিশ্চিত করেছেন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করছেন, স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ আওয়ালীগ পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছেন। আজ যে পদ্মা সেতু নির্মান করা হয়েছে এটাও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের চ্যালেঞ্জ ছিল। পদ্মা সেতু নির্মান করতে যেয়ে ডক্টর ইউনুছরা ষড়যন্ত্র করেছে। আজ পদ্মা সেতু নির্মান করে দেখিয়ে দিয়েছে ষড়যন্ত্র টেকে না। আজ এই ষড়যন্ত্রকারীরা চুপসে গেছে। সারা পৃথিবী আজ দেখছে ডক্টর ইউনুছের ষড়যন্ত্রর চেয়ে আপনি কত শক্তিশালী। আজ পদ্মা সেতুর মধ্যে দিয়ে প্রমানিত হয়েছে আপনি দেশকে কত অনন্য উচ্চতায় পৌছে দিেেছন। তিনি বলেন আপনার বাবার অবদান আপনার অবদান আমরা কখনো ভুলবো না। ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম আর ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে দেশ স্বাধীন হয়েছে সে স্বাধীনতা আমরা রক্ষা করব। তবে একটি দাবি প্রিয় নেত্রী গত ১৩ বছর যে সব আওয়ামীলীগ এর ত্যাগী নেতা কর্মীরা নির্যাতন হয়েছে তাদের আমরা মুক্ত করতে চাই। এবং আবারও আমরা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতিককে বিজয়ী করে দেশকে আরো উন্নত রাষ্ট্রে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য আহসান উল্লাহ, শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক বকুল, দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সারোয়ার কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রহমান, ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক ও কায়বা ইউপি চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোদাবক্স, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ নেতা মোজাফফার হোসেন, বেনাপোল পৌর যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ, উলাশী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা বিপুল, লক্ষনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারা বেগম, বাগআচড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা সাধন গোস্বামী, সাবেক ছাত্র নেতা রুহুল কুদ্দুস ও সাইফুল ইসলাম সজল প্রমুখ।

মোঃ আনিছুর রহমান
বেনাপোল যশোর
০১৯১৬-৯১৯৩৬২
২৩/০৬/২২

 

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com