1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : AKASH :
  3. [email protected] : anisur : anisur rohman
  4. [email protected] : [email protected] :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত বঞ্চিত নিপিড়ীত বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটি উপহার দিয়েছিল, তারপর তাকে হত্যা হতে হলো তারই সৃষ্ট এদেশীয় বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে আশরাফুল আলম লিটন - Dainikasharalo.com
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্পের রাস্তার বেহাল দশা বেনাপোল বন্ধন ব্লাড ফাউন্ডেশন এর ১ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন বেনাপোল সীমান্ত থেকে পিস্তল,গুলি,ম্যাগজিন সহ আটক ০১ বেনাপোলে ০৩ মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার শার্শার জামতলা বাজারে মায়া ডিজিটাল ষ্টোডিওতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বেনাপোলে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় গাঁজা সহ আটক ৩ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ বেনাপোলে সাংবাদিকদের সাথে বিজিবির মত বিনিময় সভা যশোরিয়ান ব্লাড ফাউন্ডেশন এর উদ্দেগে ব্লাড গ্রুপ ও মেডিকেল ক্যাম্পেইন আয়োজন ​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার




জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শোষিত বঞ্চিত নিপিড়ীত বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটি উপহার দিয়েছিল, তারপর তাকে হত্যা হতে হলো তারই সৃষ্ট এদেশীয় বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে আশরাফুল আলম লিটন

  • প্রকাশিত : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ২৯ বার পঠিত:

 

মোঃ আনিছুর রহমান, বেনাপোল ঃ
যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌরসভার সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন,জাতির জনক রয়েছে আমাদের মুক্তির সংগ্রামে, জাতির জনক রয়েছে আমাদের গনতন্ত্রে, জ াতির জনক রয়েছে আমাদের গঠনতন্ত্রে জাতির জনক রয়েছে আমাদের সংবিধানে জাতির জনক রয়েছে সকল বাঙ্গালীর কৃষ্টি গৌরব, ইতিহাস,ঐতিহ্য সংগ্রম প্রতিটি জায়গায় উপস্থিতি রয়েছে।ইতিহাসের মহানায়ক, হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালি, বাংলার রাখাল রাজা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি অত্যাচার নির্যাতন, সহ্য করে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার জন্য বার বার জেল খেটেছেন সেই জাতির জনককে পাকিস্তানী বাহিনী হত্যা করে নাই। যিনি শোষিত বঞ্চিত নিপিড়ীত বাঙালি জাতিকে নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন সার্বোভৌম বাংলাদেশ নামক ভুখন্ডটি উপহার দিয়েছিল,তাকে হত্যা হতে হলো তারই সৃষ্ট এদেশীয় বিপথগামী সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে। আর সাথে সাথে আমরা বাঙালি জাতি বীরের জাতি থেকে উপাধি পেলাম বেঈমানের জাতিতে। পৃথীবির ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর পরিবার দেশের জন্য যে রক্ত দিয়েছে তা অন্য কোন রাষ্ট্রের নায়ক এত রক্ত দেয়নি। ১৫ আগষ্টের জাতিয় শোক দিবসে এসব কথা বললেন প্রধান অতিথি হিসাবে যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর সাবেক মেয়র আশরাফুল আলম লিটন।

সোমবার বেলা সাড়ে ৪ টার সময় বেনাপোল সোনালি ব্যাংক চত্বরে শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট সকল শহীদদের স্মরনে শোক ও স্মরনসভার ৪৭ তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইলিয়াছ আযম।

প্রধান অতিথি আশরাফুল আলম লিটন বলেন,৭৫ এর পরে জাতির জনকের আদর্শকে ভুলূন্ঠিত করার জন্যে জাতিয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র রাষ্টের হাজার হাজার কোটি টাকা খরছ করে জাতির জনকের পরিবারের প্রতি যে প্রপাগান্ডা করা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকে জাতির জনকের পরিবারের ইতিাহাস গৌরব, ঐতিহ্য গৌরব,সংগ্রাম ত্যাগ এবং যে অর্জন সে অর্জন মুছে ফেলার জন্য সরকারের পৃষ্টপোষকতায় সরকারী কোষাগার থেকে হাজার হাজার হাজার টাকা ব্যায় করে জাতির জনকের পরিবারকে মুছে ফেলার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। জাতির জনকের পুত্র ছিল এক এজন খেলোয়াড় শেখ কামাল তিনি ছিলেন সাংস্কৃতি মনা বীর মুক্তিযোদ্ধা তাকে অপবাদ দেওয়া হলো সে ব্যাংক ডাকাতি করেছিল। তিনি যদি ব্যাংক ডাকাতি করে থাকেন তাহলে সে টাকা কোথায় আছে কত টাকা আছে। তা ৭৫ এর পরবর্তীতে আপনারা বলতে পারেননি। এভাবে একটি একটি করে অপপ্রচার চালানো হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে পারে একমাত্র আওয়ামীলীগের প্রকৃত ত্যাগি নেতা কর্মীরা। যারা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে বিক্রি করছে, যারা নৌকাকে বিক্রি করছে যারা শেখ মুজিবকে বিক্রি করছে, যার জননেত্রী হাসিনাকে বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে সকল নেতা কর্মীরা এক হয়ে রুখে দাঁড়ান। এরা জামাত বিএনপির চেয়ে ও দুষ্ট। কারন এসব চক্র এখনও আমাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মধ্যে ঘাপটি মেরে আছে। আমাদের এসব দুষ্ট চক্রকে রুখে দিতে হবে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়ারউর রহমান ৭৫ এর ১৫ আগষ্ট জাতির জনকের হত্যাকান্ডর বিচার ইন্ডেমিনিটি অধ্যাদেশ জারী করে বন্ধ করেছে তাহলে আমরা বলতে পারি যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে তার চেয়েও জিয়াউর রহমান ভয়ঙ্কর। একটি রাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে হত্যা করলে বিচার হবে না এধরনের অধ্যাদেশ সংসদে জারী করায় পৃথিবীর মানুষ আর একবার ঘৃনা ধিক্কার জানিয়েছে বাঙ্গালী জাতিকে। আমাদের মনে রাখতে হবে জাতির জনকের ইতিহাস এই ভুমির ইতিহাস জাতির জনকের ইতিহাস এই মাটির ইতিহাস জাতির জনকের ইতিহাস এই গাছ পালা নদী নালা খাল বিল আকাশ বাতাস সব কিছুর ইতিহাস। জাতির জনক একদিনে তৈরী হয়নি। তিনি শিশুকাল থেকে তিনি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি সংগ্রাম করেছেন। তিনি ন্যায্য কথা বলতেন সব সময়। তিনি কোন অন্যায়ের সাথে আপোষ করেন নাই।

আশরাফুল আলম লিটন বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থাপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার জীবনের অধিকাংশ সময় বাংলাদেশের মানুষ ও তাদের কল্যানের জন্য ব্যয় করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে সংঘবদ্ধ করতে তার ভূমিকা ছিল অপরিসীম। তাই প্রত্যেক বাংলাদেশীর জন্য জাতির পিতার জীবনী সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করা অপরিহার্য। তিনি গরীব মেধাবীদের জন্য স্কুলে মাষ্টারদের নিয়ে সংগঠন করে বাড়ি বাড়ি যেয়ে চাল, টাকা, ধান সংগ্রহ করতেন। এগুলো বিক্রি করে মেধাবীদের বই খাতা কলম কিনে দিতেন। তিনি ছিলেন একজন দক্ষ সংগঠক। রোদ বৃষ্টিতে যারা ভিজে ¯ু‹লে আসতেন তাদের নিজের ছাতাটি দিয়ে দিতেন। এজন্য তাকে মাসে কয়েকটি ছাতা ক্রয় করে দিতে হতো। বঙ্গবন্ধু তার জীবনে মোট ৪৬৮২ দিন কারাভোগ করেন শুধু বাঙালি জাতির স্বাধীকার আদয়ের জন্য। এর মধ্যে মাত্র ৭ দিন তিনি বৃটিশ আমলে কারা ভোগ করেন। জাতির জনক বার বার কারাবরন করেছে তবুও কোন অন্যায়ের সাথে আপোস করেন নাই। কিউবার প্রেসিডেন্ট ফিদেল কাষ্ট্রো বলেছিলেন বঙ্গবন্ধু কি এমন জাদু জানে মাত্র ৯ মাসে একটি জাতিকে আলাদা ভুখন্ডে রুপান্তরিত করল। তার এক ভাষনে সেই দেশের সাড়ে ৭ কোটি বাঙালি একত্রিত হয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছিল । তিনি বলেছিল আমি হিমালয় দেখিনি। তবে বঙ্গবন্ধুকে আমি দেখিছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসে এই মানুষটি হিমালয়ের সমান। এ ভাবে আমি হিমালয় দেখার অভিজ্ঞতাই লাভ করলাম।

আশরাফুল আলম লিটন বলেন, জাতির জনক যখন কোলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে লেখা পড়া শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন শাস্ত্রে ভর্তি হন। তখন ওই বিশ্ব বিদ্যালয়ের নির্যাতিত নিপিড়ীত ৪র্র্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের আন্দোলনে তিনি সহযোগিতা করায় বিশ্ব বিদ্যালয় তাকে বহিস্কার করে জরিমানা করেন। সে যদি জরিমানা দিয়ে দেয় তবে তার ছাত্রত্ব বাতিল হবে না। তখন তিনি জরিমানা দিতে রাজী হয়নি। তিনি বলেন কোন অন্যায়ের কাছে তিনি মাথা নত করবে না। কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকারের আন্দোলনে তিনি শরীক হয়েছেন। তার জন্য অবৈধ ভাবে তাকে বহিস্কার করা হলো। এ ছাত্রত্ব আমার প্রয়োজন নাই। তিনি এই লাল সবুজের পতাকার জন্য মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে বলেছে আমাকে তোমরা যদি মেরে ফেল তবে আমার লাশ আমার বাঙালীর কাছে পৌছে দিও।

তিনি আরো বলেন বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে লড়াই সংগ্রাম করে এই দেশকে শেষ পর্যন্ত আলাদা ভুখন্ড হিসাবে উপহার দিয়েছে। তিনি নিজের পরিবার পরিজন এর কথা কখনো ভাবেন নাই। তিনি ছিলেন দয়ালু। নিজ এলাকার মানুষকে ছাত্র থাকা কালে তিনি ধানের গোলা থেকে চাল ডাল দিয়েছে। বারং বার তিনি জেল খেটে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড়িয়েও আপোস করেন নাই। তিনি ছাত্র জীবন থেকে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তারই সন্তান জননেত্রী শেখ হাসিনা বিদেশ থেকে শুধু পিতার দেখানো স্বপ্নের জন্য ফিরেছেন। কবর থেকে শেখ মুজিব বলেছেন মা তুমি বিদেশ থেক না। তুমি ফিরে যাও তোমার ভুখন্ডে। সেখানে মানুষ শোষিত বঞ্চিত হচ্ছে। তাদের পাশে দাঁড়িয়ে তুমি তাদের উদ্ধার কর। সোনার বাংলা গড়ে তোল। সেই নেত্রী ১৯৮১ সালে বিদেশ থেকে ফিরে এসে বার বার জেল খেটেছে। বার বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছে। সেই নেত্রী আজ বাংলার নেতৃত্ব দিয়ে এদেশকে এগিয়ে নিয়েছে। তিনি ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি কৃষকেরদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সার বঞ্চিত কৃষকদের তিনি সার দিয়ে তাদের ন্যয্য অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছেন। সেই নেত্রীর নেতৃত্বে আমরা রাজনীতি করি তাই কোন রক্ষচক্ষুকে আমাদের ভয় পাওয়ার প্রয়োজন নাই। আমরা এই শার্শার মাটিতে কারো গোলামী করব না। আমরা অনেক ধৈর্য ধরেছি শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে। শার্শার এক নেতার উদ্দেশ্য বলেন,আপনি সে শিক্ষা পাননি । আপনি পারিবারিক শিক্ষা পাননি তাই শার্শায় যা খুশি তাই করছেন এটা কোন রাজনৈতিক শিষ্টাচার হতে পারে না। তিনি আরো বলেন, আজ শার্শায় যে ভাবে আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা এই আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে হামলা মামলা খেয়েছে তা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। এই শার্শার একজন নেতা তার অত্যাচারি বাহিনী দিয়ে অনেক নেতা কর্মীকে অত্যাচার জুলুম করেছেন। তিনি সকল ছাত্র যুবককে এক হতে বলেন।তিনি বলেন শার্শায় যারা প্রকৃত আওয়ামীলীগ তাদের হাতে আমাদের দলকে ফিরিয়ে দিতে হবে। আজ বিএনপি থেকে আসা কিছু কুচক্রী একজন শীর্ষ নেতার পাশে থেকে প্রকৃত আওয়ামীলীগদের নির্যাতন করছে। এর জবাব তাকে দিতেই হবে। তিনি আরো বলেন শার্শায় আর কোন পকেট কমিটি হবে না গোপনে গোপনে একজন নেতা পকেট কমীটি করার পায়তারা চালাচ্ছে এটা হতে দেওয়া হবে না। সন্মেলনের মাধ্যেমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কমিটি করতে হবে।

শার্শা উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বলেন, আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমার বুকটা ভরে গেছে। ১৯৭৫ সালের পর যারা শার্শার আওয়ামীলীগকে বাঁচিয়ে রেখেছিল তারা আজ এই মঞ্চে এসে এক হয়েছে। আজ যিনি শার্শার নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের পছন্দ করেন না। তিনি বিএনপি জামাত এর লোকদের পছন্দ করেন। আজ এই জনপদের শীর্ষ নেতার মাথায় বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকি নিয়ে কোন ব্যথা নেই । তার ব্যথা হচ্ছে তার নিকট থেকে সব সরে যাচ্ছে তাদের নিয়ে। তিনি চাঁদা তুলে জাতির জনকের শাহাদত বার্ষিকী পালন করছে এটা আমাদের জন্য লজ্জাজনক। পায়ের তলার মাটি ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। তিনি বুঝতে পারছেন। তাই তিনি বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যাকে নিয়ে আলোচনা করছে না। তিনি আছেন তার ফ্যাক্টরীলীগ নিয়ে ব্যাস্ত। আমরা কোন রক্ত চক্ষুকে ভয় পাই না। আমরা শান্তির রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তাই বলে আমাদের আঘাত দিয়ে আর আপনাকে পার পাইতে দিব না।

 

সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা আওয়ামীলীগের উপদেষ্ঠা মন্ডলীর সদস্য বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক আহসান উল্লাহ মাষ্টার,শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফজলুল হক বকুল,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইলিয়াছ আযম,দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সারোয়ার, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পদক আব্দুর রহমান,শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, ত্রান ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলতাপ হোসেন,অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোদাবক্স, সহ দপ্তর সম্পাদক সাধন কুমার গোস্বামী, শার্শা উপজেলা মহিলালীগের সভাপতি খতিব আমেনা,সাধারন সম্পাদক শারমিন আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিউটি আক্তার, শার্শা উপজেলার আওয়ামীলীগ এর সিনিয়ার নেতা বদিয়ার রহমান তরফদার, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগ নেতা মোজাফফার হোসেন, পৌর সাবেক প্যানেল মেয়র সাহাবুদ্দিন মন্টু,সাবেক কাউন্সিলার মিজানুর রহমান, শার্শা উপজেলা যুবলীগ এর যুগ্ম আহবায়ক ও নিজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম রেজা বিপুল, সাবেক ছাত্রলীগ এর সভাপতি রুহুল কুদ্দুস ভুইয়া, আওয়ামীগ সাংস্কৃতিক ফোরাম এর বেনাপোল পৌর শাখার সভাপতি রহমত আলী, যশোর জেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম এর সহসভাপতি এমদাদুল হক বকুল, বেনাপোল পৌর ৯ নং ওয়াপর্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা,সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য জাকির হোসেন আলম, লক্ষনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারা খাতুন, উলাশী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম প্রমুখ
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বেনাপোল পৌর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com