1. dainikasharalo@gmail.com : admin2021 :
  2. sagor201523@gmail.com : AKASH :
  3. anisurrohman2012@gmail.com : anisur : anisur rohman
  4. qtvbanglanews2018@gmail.com : sagor201523@gmail.com :
জাতির জনকের কাছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান মুসলমান কেউ তফাৎ ছিল না। তিনার দৃষ্টি ভঙ্গি ছিল সকলে মানুষ - মেয়র লিটন - Dainikasharalo.com
রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
​আমাদের বেতন ভাতা পোশাক সব কিছু জনগনের ট্যাক্সের টাকায় — এসপি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার ছাত্রীদের তোপের মুখে জবির হল খোলা রাখার সিদ্ধান্ত বেনাপোল চেকপোষ্ট কাস্টমস থেকে ১,৭০,০০০মার্কিন ডলার সহ দুইজন আটক বেনাপোল চেকপোষ্ট থেকে বিপুল পরিমান মার্কিন ডলার সহ দুই জন আটক দূর্গাপূজায় সম্প্রীতি নষ্ট করলে কঠোর ব্যবস্থা শার্শায় প্রেমিকের সাথে কিশোরী আটকের পর গণধর্ষনের অভিযোগে গ্রেফতার ২ কয়রায় গবাদিপশুর অবাধ বিচরণে ঘটছে দুর্ঘটনা, জনমনে অশান্তি  সাফে ইতিহাস গড়ে বীরবেশে দেশে চ্যাম্পিয়ন মেয়েরা শিশুদের উন্নয়নে কাজ করছে নড়াইল চাইল্ড ফোরাম শার্শার গোগা সীমান্ত থেকে ১৫ পিস সোনারবার সহ পাচারকারী আটক




জাতির জনকের কাছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান মুসলমান কেউ তফাৎ ছিল না। তিনার দৃষ্টি ভঙ্গি ছিল সকলে মানুষ ——- মেয়র লিটন

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩১ আগস্ট, ২০২১
  • ১১০ বার পঠিত:

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
যশোর জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেছেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মানুষ। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান মুসলমান তিনার কাছে কোন তফাৎ ছিল না। তার দৃষ্টি ভঙ্গি ছিল মানুষ। তিনি সব সময় বিশ^াস করতেন এই পুথিবী হচ্ছে মানুষের জন্য একটি ভুখন্ড। আমার ধর্ম আমাকে মুসলমান করে রেখেছে আপনার ধর্ম আপনাকে হিন্দু করে রেখেছে। আমাদের আবারনে আমাদের চেহারায় রক্তে আমাদের সকল জায়গায় একই রকম। শুধু ধর্মের বিভাজনে আমরা ভিন্ন ভিন্ন ধর্মাবলম্বী। বঙ্গবন্ধৃু যখন দেখলেন পাকিস্তানীরা আমাদের সাথে বৈষম্য সৃষ্টি করেছে। তারা চাকরির ক্ষেত্রে আমাদের দেশের ১০ শতাংশ এবং পাকিস্তানের ৯০ শতাংশ কোটা পদ্ধতি রাখলেন। আমাদের দেশের ৪ কোটি মানুষ তাদের দেশের ২ কোটি মানুষ অথচ বাজেট বরাদ্দে এদেশের জন্য রাখলেন ২০% আর তাদের পাকিস্তানের জন্য রাখলেন ৮০%। বাংলাদেশের সকল অর্থ ফসল সম্পদ পাকিস্তানে নিয়ে তারা তাদের দেশকে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখতে লাগলেন। আার তাদের সকল অত্যাচার অনাচার শোষন সব কিছু চলতে লাগল বাংলাদেশের জনগনের উপর। তারই প্রতিবাদের জাতির জনক বার বার লড়াই সংগ্রাম করে জেল খেটেছেন। এরপর পাকিস্তানিদের হাত থেকে এদেশকে স্বাধীন করে তিনি একটি আলাদা ভুখন্ড এবং লাল সবুজের পতাকা এনে দিলেন। তারপর এদেশের বিপথগামী সেনা সদস্যদের হাতে নিহত হলেন হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কথা গুলো বললেন বেনাপোল পোর্ট থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়ন আাওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ আয়োজিত ১৫ আগষ্ট সকল শহীদদের শোক ও স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে মেয়র লিটন।

মঙ্গলবার বিকাল ৫ টার সময় বাহাদুরপুর ইউনিয়নের শাখারী পোতা মাদ্রাসায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আব্দুল ওহাবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি মেয়র লিটন বলেন, জাতির জনক অসহায় শিশুদের নিজের গায়ের চাদর খুলে শাল খুলে দিয়ে দিতেন। বঙ্গবন্ধু ছাত্র থাকাকালে কোলকাতা থেকে এসে দেখলেন চরম দুর্ভিক্ষ চলছে। তাদের সহপাটিরা বলছে আমাদের বাসায় খাবার নেই। তখন জাতির জনকের পিতা অফিসে গেলে বন্ধুদের দিয়ে নিজেকে ধানের গোলার মধ্যে বেধে রেখে ধান দিয়ে দিলেন। পিতা অফিস থেকে এসে যখন দেখলেন ধানের গোলা খোলা তখন জিজ্ঞেস করলেন ধানের গোলা খোলা কেন? তখন বঙ্গবন্ধু বললেন বাবা আমি জানি না। তখন তার পিতা তাকে জড়িয়ে ধরে বলল বাবা তুমি আমাবে জন্ম দেও নাই আমি তোমাকে জন্ম দিয়েছি। আমি জানি মানুষের জন্য তোমার মন কাঁদে। সেই মানুষটি ধীরে ধীরে কালে কালে বাঙালীর সকল লড়াই সংগ্রামে অত্যাচারে বাঙালীর সকল নির্যাতন নিপীড়নে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। একটি বারও নিজের প্রয়োজনে জেলে যায়নি একটি বারও নিজের লাভের জন্য জেলে যায়নি। জাতির জনক ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ৪ র্থ শ্রেনীর কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছিলেন তার জন্য তাকে হতে হয়েছিল বহিস্কার এবং জেল খাটতে হয়েছিল । তিনি প্রথম জেলে গেলেন ওই কর্মচারীদের আন্দোলনে সমর্থন দিয়ে।

মেয়র লিটন আরো বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট আমরা জাতির জনককে হত্যা করলাম। এ হত্যার মধ্যে দিয়ে বাঙ্গালী হারালো পৃথিবীর মানচিত্রে এক বীরের জাতি যে জাতি তার ভাষার জন্য রক্ত দিয়েছে। যে জাতি গনতান্ত্রিক আন্দোলনে রক্ত দিয়ে গনতন্ত্র রক্ষা করেছে যে জাতি পাকিস্তানিদের কাছ থেকে অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছে সেই বীরের জাতি ৯ মাসের সধ্যে ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম হানীর মধ্যে দিয়ে এদেশ জয় করেছে সেই জাতি বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে কলংকিত হয়েছে। পৃথিবীর কাছে ্আমাদের মাথা নত করেছে। পৃথিবীর নেতারা বলেছে যে জাতি মুজিবকে মারতে পারে সে জাতিকে বিশ^াস করা যায় না।

তিনি আারো বলেন জাতির জনককে হত্যা করে তার পরিবারকে দেয়া হলো মিথ্যা অপবাদ। জাতির জনকের হত্যার পর তার কন্যা ১৯৮১ সালে এদেশে এসে তার পিতার দেখানো স্বপ্ন বাস্তবায়নে মাঠে নামলেন। হাজার হাজার মাইল পথ পায়ে হেটে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তৃনমুল কর্মীদের সংঘটিত করেছে। মুক্তিযোদ্ধারা কেমন আছে তার খোজ নিয়েছে। যে সকল হাজার হাজার নেতা কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে তাদের খুজে খুজে বের করে খোজ নিয়েছে। তিনিই আমাদের আজকের প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল আর সেই সুযোগে পাকিস্তানী দোসররা লুটপাট করে খেয়েছে। তারা মানুষের কথা ভাবেনি। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তিনি ভাবলেন মুক্তিযোদ্ধাদের কথা । তাদের জন্য করলেন ভাতা শুরু।

তিনি আরো বলেন,আগামি ইউপি নির্বাচনে যারা নৌকার স্বাদ গ্রগন করে আনারস নিয়ে নির্বাচন করবে তা হতে দেওয়া যাবে না। কারন আমরা নৌকা প্রতীকের লোক। যাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা নৌকা দিবে আমি তাকে সমর্থন দিব তার পক্ষে কাজ করব। আর যদি কেউ নৌকা প্রতীক না পেয়ে নৌকার বিপক্ষে কাজ করে তাকে ওই মাঠে কাজ করতে দেওয়া যাবে না। সে আওয়ামীলীগ কর্মী হতে পারে না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রধান বক্তা শার্শা উপজেলা ভাইচ চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, প্রাচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইলিয়াছ আযম, দপ্তর সম্পাদক আজিবর রহমান, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শেখ কোরবান আলী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক শেখ সরোয়ার, ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক আলতাফ হোসেন অর্থ বিষয়ক সম্পাদক খোদাবক্স, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক কবির উদ্দিন তোতা, সহ সভাপতি বদিয়ার রহমান তরফদার, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিউটি খাতুন, পুটখালী ইইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি গফফার সরদার, মোক্তার মেম্বার উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সেলিম রেজা বিপুল, যুবলীগ নেতা সাহেব আলী, বেনাপোল আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি রহমত আলী পৌর ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আশাদুজ্জামান আশা উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক এনামুল হক মুকুল, দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন প্রমুখ।

 




এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ




স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২    বিঃদ্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নিয়ম মেনে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিবন্ধনের জন্য অপেক্ষামান।

 
Theme Developed By ThemesBazar.Com