সংবাদ শিরোনাম :
শার্শায় লবন কান্ডে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানঃ ১ লাখ ৯৪ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান বাস ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকায় দুভোর্গে পাসপোর্টযাত্রীরা ও পণ্য খালাসে অচালবস্থা অবৈধ পথে অনুপ্রবেশর অভিযোগে বেনাপোল সীমান্তে আটক -৫৪ পরিবেশ রক্ষায় শার্শার নাভারন বাজারে বৃক্ষরোপন ও বিতরন অনুষ্ঠান ঝিনাইদহে সিফাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধনঝিনাইদহে সিফাত হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন বিমানে কক্সবাজার (যাওয়া-আসা) মাত্র ১৫০০ টাকায় নবাবগঞ্জে যুবলীগের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী উদযাপন বেনাপোল লোটো শো-রুম উদ্বোধন বেনাপোল লোটো শো-রুম উদ্বোধন বেনাপোল পোষ্ট অফিসে সঞ্চয় পত্রের মুনাফা ভোগীরা হয়রানীর শিকার হচ্ছে প্রতিদিন।। দুর-দুরান্ত থেকে আসা বয়স্করা পড়ছে বিপাকে
সম্প্রতি নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রতিপক্ষের শত্রুতার বলির শিকার হয়েছে ৮০০ হাঁস।

সম্প্রতি নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় প্রতিপক্ষের শত্রুতার বলির শিকার হয়েছে ৮০০ হাঁস।

ডেস্ক রিপোর্টঃ

খামার মালিক আবুল কাশেম ও আবুল হাসেমের এতগুলো হাঁস মেরে ফেলায় রীতিমতো পথে বসে গেছেন তারা। তবে সেই কাশেমের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী তার ফেসবুকে লিখেছেন, নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের ছবিলা গ্রামের হতদরিদ্র আবুল কাশেম। শারীরিক প্রতিবন্ধী কাশেম ভাই কায়িকশ্রমের কাজ করতে পারেন না বলেই মোটা সুদে ঋণ করে হাঁসের খামার করেছিলেন ভাগ্য ফেরানোর আশায়। বিধি বাম! দুর্বৃত্তদের প্রয়োগ করা বিষে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তার বেঁচে থাকার অবলম্বন প্রায় ৮০০ হাঁস!

আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পরিবার অসহায় আবুল কাশেম ভাইয়ের পাশে দাঁড়াব। সারা দেশের লাখো লাখো ছাত্রলীগ কর্মীর মাঝে আমরা ৮০০ কর্মী যদি একটি করে হাঁসের দায়িত্ব নেই, কাশেম ভাইয়ের পরিবার আবার বাঁচার অবলম্বন পাবে।

আমি আজ কথা বলেছি তার সঙ্গে, ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই মিলে কাশেম ভাইয়ের পাশে থাকবো। দ্রুতই ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তাকে ৮০০ হাঁস কিনে দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। মানুষ মানুষের জন্য ; জীবন জীবনের জন্য। 

সাহায্যের জন্য যোগাযোগ: আবুল কাশেম: ০১৭৯৪-০৭৩০৮৩
#বিকাশ একাউন্টঃ ০১৯০৬-৯৩৮৭৪৩ (পারসোনাল) #একাউন্ট নাম্বার- ০২০০০১২৮৩৬০৮৭
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড, কেন্দুয়া শাখা, নেত্রকোনা।

বিঃ দ্রঃ কাশেম ভাইয়ের সঙ্গে সরাসরি দেখা করে বা কথা বলে যে কেউ বিকাশ বা ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে তাকে হেল্প করতে পারেন।

জানা গেছে, ছবিলা গ্রামের আবুল কাশেম ও আবুল হাসেম যৌথভাবে একটি হাঁসের খামার পরিচালনা করে আসছিলেন। রোববার সকাল সাতটার দিকে তারা প্রতিদিনের মতো খামার থেকে হাঁস বের করে হাওড়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রথমে বাড়ির কাছেই একটি একটি ধান ক্ষেতের পানিতে নিয়ে হাঁসগুলো ছাড়ার কিছুক্ষণ পর এক একটা করে হাঁস অসুস্থ হতে থাকে। এভাবে ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই খামারের ৮০০ হাঁস মারা যায়।

ঘটনার পর আবুল কাশেম জানান, তিনি খুব কষ্ট করে দুই লাখ টাকা ঋণ করে এবং ভাতিজা আবুল হাসেমকে অর্ধেক শেয়ারে নিয়ে হাঁসের খামারটি করেছিলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, হাঁসগুলোর মৃত্যুতে তিনি নিঃস্ব হয়ে গেছেন। কি করে যে ঋণ পরিশোধ করবেন এই নিয়ে এখন দিশেহারা।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions