মধ্যনগরে ধান কাটতে অনিহা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চায় কৃষক

মধ্যনগরে ধান কাটতে অনিহা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চায় কৃষক

অমৃত জ্যোতি,স্টাফ রিপোর্ট 
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থানার প্রায় সবকটি হাওরেই বোর ধান ফলেছে ৪০ থেকে ৫০ভাগ।কৃষকেরা মহাজনী ও এন জি ও’র ঋণের চাপে পরে দিশাহারা হয়ে  যখন যা মন চায় তাই প্রলাপ করে বলছে, আর জাইতাম না ধান কাটা,ধান কাট্টা কিতা করতাম।ধানের মধ্যে বেশিরভাগ ছিটা আর ছুঁচা,আমারার ভাগে শুধু খের আর (খড়)।ক্ষেত কাইট্টা সব নিয়া গেল বাগালো আর ব্যাপারী,আমরা বাচতাম কিতা খইয়া??
মধ্যনগরের হাওরাঞ্চলের কৃষকের ফসল ফলাতে লোকসান খেয়ে তাদের মুখের এসব কথা বেড়িয়ে আসে।
গত  ২০১৭ সালের আগাম বন্যার পরপরই দিশাহারা কৃষকের পাশে সরকারে  বি জি এফ কর্মসূচীর আওতার ৩০ কেজি চাল ও নগদ ৫০০টাকা প্রদানে কৃষক ভীষণ সহযোগিতা পেয়েছে। কিন্তু এবছর যদি সরকার আমাদের পাশে না দাড়ান  তাহলে না খেয়ে মরতে হবে অনেক  দিন মজুর কৃষকের।এবার কী আমাদের  পাশে সরকারে বি জি এফ সহযোগিতা থাকবে কি না জনমনে পশ্ন? কৃষকের  আরো প্রশ্ন এবছর আবাহাওয়া ভাল,বছর ও ভাল ফসলের ভিতরে চাল নেই কেন??দেশের সরকার যেখানে কৃষি খাতে প্রচুর পরিমান অর্থ ব্যায় করছে সেখানে আমারা ক্ষেটে খাওয়া দিন মজুর কৃষক আমাদের সেবায় নিয়োজিত থাকা কৃষি অফিসারের দেখা যুগের ভাগ্যেও মিলে না, সরজমিনে আসতেও দেখা যায় না, এটার নাম  কি কৃষি তদারকি??  আমরা কি বুঝব আমাদের কৃষি কাজের কর্মী নিয়োগ নেই? আর যদি থাকে কেন তারা মাঠে এসে ফসলের তদারকি বা রক্ষনা বেক্ষনের পরামর্শ দেন না? এর কারণ কি আমারা সব দিকে অবহেলিতই থাকব? কৃষক জনমনে প্রশ্নের তুমুল ঝড় উঠেছে মধ্যনগরে।এলাকার প্রবীণ কৃষক পুত্র শুবেন্ধু ভট্টাচার্য কৃষক বান্ধব সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন-ফসল উৎপাদনে কৃষক  যা ভাবছিল তা পায়নি, ফসল উৎপাদন কম ধানের দামও কম প্রতি মণ ৫০০-৫৫০টাকা। কৃষক ন্যায্য মূল্য না পাইলে আগামী বছরে কৃষি কাজে কৃষক সরে দাড়াতে পারে প্রায় ৫০ভাগ।তাছাড়া আমাদের ফলানো ধানের সরকার কতৃক ন্যায্য মুল্য পেতে  ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারী ক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হয় তা হলে কৃষক ন্যায্য মুল্য পাবে। 
৮০বছর বয়সী কৃষক ডাঃ গিরিন্দ্র চন্দ্র সরকার  বলেন আমার ৬টি গাভীর খাদ্য যোগাতে জমি খাঠতেছি নতুবা না কাটলেও চলতো,ভাবতেছি আমারা কি খেয়ে দিন কাটব?১হাল জমি কাটতে আমার নগদ দেনা করে ৩০হাজার টাকা দিয়ে কাটলাম, ধান হয়েছে প্রায় ৯০মণ যার বর্তমান বাজার মুল্য ৫৪ হাজার টাকা মাত্র।আমার ২৬ হাজার টাকার লোকসান টানতে হবে এবং পরিবার পরইজন নিয়ে চলা মুশকিল হয়ে দাড়াবে।

আপনার মন্তব্য এই বক্সে লিখুন

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

2 responses to “মধ্যনগরে ধান কাটতে অনিহা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি ক্রয় কেন্দ্র চায় কৃষক”

  1. RebDumn says:

    Keflex In Pregnancy cialis vs viagra Misoprostol Fast Shipping How Do You Rate Keflex Levitra Efficacy

  2. RebDumn says:

    Viagra Alkohol Gefahrlich Cephalexin Strenght Amoxicillin And Azithromycin Zithromax priligy 30mg tablets Levitra Kaufen Hamburg Eroxim Usa

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions