“মধ্যনগর টু কমলাকান্দা একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হাওর রক্ষা বাঁধের রাস্তটি স্থায়ী করণের দাবী এলাকাবাসীর “

“মধ্যনগর টু কমলাকান্দা একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হাওর রক্ষা বাঁধের রাস্তটি স্থায়ী করণের দাবী এলাকাবাসীর “

Exif_JPEG_420

অমৃত জ্যোতি রায় সামন্ত(মধ্যনগর প্রতিনিধি)
সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ইউনিয়ন পরিষদ ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।  হাওরের জনপদে মধ্যনগর একটি অন্যতম রাজধানী যা ৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত।
এই সদর ওয়ার্ডের অন্তর্ভুক্ত গ্রামগুলির মধ্যে(১)মধ্যনগর বাজার(২)বৈঠাখালী(৩)বৈঠাখালী নতুন পাড়া(৪)মাইজপাড়া(৫)জমশের পুর ও(৬)নওয়াপাড়া সহ এ পাঁচটি গ্রাম,  একটি হাওরাঞ্চলের শহর মধ্যনগর বাজার। সদর ওয়ার্ডের মধ্যে মধ্যনগর বাজার ব্যাথিত এক ফুট জায়গাও বারোমাসি বা স্থায়ী  রাস্তা নেই। জন সম্মুখে কথা প্রসঙ্গে প্রায় ৯৫%লোকের মুখে বেড়িয়ে আসে, ঘোড়াডোবা নামক উপ প্রকল্প হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ কাজ হচ্ছে দুবছর যাবৎ,এ বাঁধেই আমাদের প্রায় বারোমাসি রাস্তা হয়ে গেছে। কিন্তু এগুলো  বর্ষার  আফাল (ঢেউ) এসে পুরো বাঁধের  মাটিটাকে ভেঙ্গে, পানির সাথে মিশিয়ে দিয়ে নদীর নভ্যতার ব্যাগাত ঘটায়।আমাদের স্থানীয় সরকারের কাছে অক্লান্ত মনভরা দাবী শুধু মাত্র ৩ কিলোমিটার  বাঁধের মাটি রক্ষা করলেই বারোমাসের জন্যে নিরাপদ সড়ক হয়। বাঁধের দুই পার্শ্বে  ব্লক দিয়ে বা কার্পেটের সাহায্যে বেঁধে রাখার  ব্যাবস্থা করলে যেমন স্থায়ীভাবে বাঁধ মজবুত হবে। এলাকার কৃষকের ফসল রক্ষার শতভাগ নিরাপত্তা  হবে, তেমনি আমাদের রাজধানী হিসেবে খ্যাত মধ্যনগর বাজারে যেহেতু  জায়গায় সংকট রয়েছে, এই বাধের উপরদিয় সংকট মিটিয়ে পরিপূর্ণতা পাবে বাজারের। অন্য দিকে বর্ষাকালে আফালের ঝুঁকি কমবে নিরাপদ সড়কের আশ্রয়ে ছাত্র ছাত্রী ‘রা যথারীতি ভাবে স্কুলে যাতায়াত করতে পারবে।বর্ষার পানিতে ভরাপুর অবস্থায় আপদে বিপদেপরা রোগীদের নিরাপদ চিকিৎসার যাতায়াতের সুবিধাজনক রাস্তা হিসেবে ব্যবহার হবে।পার্শ্ববর্তী নেত্রকোনা জেলার কমলাকান্দা  উপজেলার সাথে বারোমাসি পায়ে হাঁটা যোগাযোগ ও সম্পর্ক স্থাপন হবে,দুরত্বের অবসান হবে।বর্তমানে ভোর৫ টা থেকে শুরুকরে রাত ১২পর্যন্ত হাজার হাজার মোটরসাইকেলের মধ্যমে পদযাত্রীরা আসাযাওয়া করতে দেখা যায় ।অনেকের কর্মসংস্থান বাড়বে। এবং এই বাঁধে দুপাশে বসতভূমি গৃহ হারা পরিবারকে বসতিস্থল বসিয়ে দিলে কেউ পাবে বাড়ী আর আমরা পাব স্থায়ীভাবে নিরাপদ সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে  নিজস্ব গন্তব্যে পৌঁছাবার সুব্যাবস্থা। এবং বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশের সোনালী ফসল রক্ষার মাত্র  ৩কিঃমিঃস্থায়ী বাঁধের দুটি পার্শ রক্ষা হলে  ফসলের নিরাপত্তা পাবে এলকার কৃষক।এদিকে সদর ইউনিয়ন পরিষদের  চেয়ারম্যান প্রবীর বিজয় তালুকদার দেবল,ডাঃঅরুণ কুমার সামন্ত,রহুল আমিন তালুকদার বর  তিনিরা জানান এটা অত্যান্ত  সুন্দর মননশীলতার ইতিহাসের পাতায় এক অন্যরকম দৃষ্টান্ত হিসেবে স্বর্নাক্ষরে লেখা থাকবে বলে আমরা আশাবাদী। এবং অবশ্যই স্থানীয় সরকার কতৃপক্ষ সুনজরে নিবেন বলে আমাদের ধারনা। কারন একটি বাঁধে জনগন তথা বজারের একাধিক উপকারে আসলে অবশ্যই সুনজরে না নিয়ে পারবেন না, জনবান্ধন সরকারের স্থানীয় কর্মী তথা এলাকার সুধীজনেরা।বর্তমানে হাওর রক্ষা বাঁধ  প্রকল্পের ৪৫নং পি আই সি’র কর্তব্যরত সভাপতি গোপেশ সরকার বলেন এই বাঁধে  রাস্তা হয়ে যায় তা বাস্তব আমার বরাদ্দকৃত সম্পুর্ন  কাজের ধরন ডুবন্ত বাঁধের ভাঙা বন্ধ করন। যেমন শুরুতে ২৬০মিটার কাজের পর ফাকা থাকবে অনেকটা তারপর আবার কাজ হবে ক্রমন্বয়ে এভাবেই কাজ চলতে থাকবে, তবে ফাকা জায়গায় কাজ করবে কে? এবং সৈ জায়গায় কাজ করলে তো আলাদা বরাদ্দের প্রয়োজন, আর তা হলেই পরিপুর্ন বাঁধ  ও বাঁধে বারোমাসি রাস্তা হবে,দু পাশ পাকাকরনের মাধ্যমে বেধে রাখলেই এটা স্থায়ী বাঁধ হবে ।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

One response to ““মধ্যনগর টু কমলাকান্দা একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম হাওর রক্ষা বাঁধের রাস্তটি স্থায়ী করণের দাবী এলাকাবাসীর “”

  1. Kelnuct says:

    Amoxicillin Coughing Side Effect Cheap Retin A Cialis Powder generic 5mg cialis best price Priligy Belgique Zentel 400mg

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions