সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল ট্রাক টার্মিনালের কার্যক্রম ব্যর্থ করে দিতে অশুভ চক্রের অপতৎপরতা শার্শায় নারী কেলেংকারী দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৮৮ কেজি গাজা সহ আটক ১ জোহরা ফ্রি মেডিকেল ক্লিনিক ডক্টরেট ডিগ্রি’ নিয়ে মমতাজ এর যত কথা সর্বাত্নক লকডাউন পালনে বেনাপোলে কঠোরতা।। সাধারন জনজীবন বিপর্যস্ত শার্শায় মাকে ধর্ষন করতে না পেরে ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষন চেষ্টা করার অভিযোগ আলিম নামে এক নরপশুর বিরুদ্ধে বেনাপোল চেকপোষ্টের প্রধান ফটক দিয়ে চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ।। কাজে বাধা দেওয়ায় কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দাকে মারপিট বড়াইগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড  বেনাপোল ট্রাক টার্মিনাল এর শুভ উদ্বোধন করেন যশোর জেলা প্রশাসক
বেনা‌পোল ই‌মি‌গ্রেশ‌নে অজ্ঞাত ভাইরা‌সের কার‌নে সতর্কতা জা‌রি

বেনা‌পোল ই‌মি‌গ্রেশ‌নে অজ্ঞাত ভাইরা‌সের কার‌নে সতর্কতা জা‌রি

‌বেনা‌পোল প্র‌তি‌নি‌ধিঃ
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের গোদাবরি জেলায় অজ্ঞাত একটি ভাইরাস সংক্রমণ রোধে ওই অঞ্চলের নাগরিকদের বাংলাদেশে আসা এবং বাংলাদেশিদের সেখানে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বেনাপোল ইমিগ্রেশনকে চিঠি দিয়ে সতর্কতা ও নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আহসান হাবিব জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পেয়ে ইমিগ্রেশন পুলিশকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কোনোভাবে যাতে অন্ধ্রপ্রদেশের ওই অঞ্চলের পাসপোর্টধারী যাত্রীরা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সেই বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
তিনি জানান, এছাড়া বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে যাচ্ছেন তারাও যেন কোনোভাবে অন্ধ্রপ্রদেশে না যায় এজন্যও যাত্রীদের সচেতন করা হচ্ছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগকেও নির্দেশনা মানতে পত্র দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার উৎপলা বিশ্বাস জানান, চিঠি পেয়ে নিরাপত্তার প্রতি সজাগ থাকতে স্বাস্থ্য
কর্মীদের বলা হয়েছে।
এদিকে, করোনা সংক্রমণের সময় আবার নতুন করে অন্ধ্রপ্রদেশের এ অজ্ঞাত রোগের কথা শুনে আতঙ্কিত হতে দেখা যায় অনেক পাসপোর্টধারী যাত্রীকে। এর আগে বেনাপোল ইমিগ্রেশনে ইবোলা, সার্স ও বার্ডফ্লুসহ কয়েকটি ভাইরাস প্রতিরোধে নেওয়া হয় সতর্কতা।
জানা যায়, যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়াতে বাণিজ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও ভ্রমণে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার দেশ-বিদেশি যাত্রী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করে থাকে। বাণিজ্যিক কাজে অন্ধ্রপ্রদেশে অনেকে যাতায়াত করে থাকে। তবে বর্তমানে করোনা সংক্রমণের মধ্যে শর্ত সাপেক্ষে মেডিকেল, বিজনেস ও কূটনৈতিক ভিসায় দেড় থেকে দুই হাজার যাত্রী যাতায়াত করছে। এ সীমান্তে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি মানুষের জনসমাগম থাকায় সব সময় সংক্রমণের ঝুঁকি অন্যান্য বন্দরের চেয়ে বেশি থাকে।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২১ -এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!