সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল ট্রাক টার্মিনালের কার্যক্রম ব্যর্থ করে দিতে অশুভ চক্রের অপতৎপরতা শার্শায় নারী কেলেংকারী দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৮৮ কেজি গাজা সহ আটক ১ জোহরা ফ্রি মেডিকেল ক্লিনিক ডক্টরেট ডিগ্রি’ নিয়ে মমতাজ এর যত কথা সর্বাত্নক লকডাউন পালনে বেনাপোলে কঠোরতা।। সাধারন জনজীবন বিপর্যস্ত শার্শায় মাকে ধর্ষন করতে না পেরে ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষন চেষ্টা করার অভিযোগ আলিম নামে এক নরপশুর বিরুদ্ধে বেনাপোল চেকপোষ্টের প্রধান ফটক দিয়ে চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ।। কাজে বাধা দেওয়ায় কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দাকে মারপিট বড়াইগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড  বেনাপোল ট্রাক টার্মিনাল এর শুভ উদ্বোধন করেন যশোর জেলা প্রশাসক
জগন্নাথপুরে পিআইসি কমিটির তালিকা ও বরাদ্দ নিয়ে লুকোচুরি সহকারি ফয়সলের দাপটে ক্ষুব্দ কৃষকেরা  

জগন্নাথপুরে পিআইসি কমিটির তালিকা ও বরাদ্দ নিয়ে লুকোচুরি সহকারি ফয়সলের দাপটে ক্ষুব্দ কৃষকেরা  

মোঃ রনি মিয়া জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: জগন্নাথপুর উপজেলার ফসলরক্ষা বেড়িবাঁধ নির্মানে পিআইসি কমিটির তালিকা নিয়ে চলছে লুকোচুরি। সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের খামখেয়ালিপনায়  ক্ষোব্দ কৃষকেরা। এ নিয়ে কমিটি গঠনের শুরু থেকে নানা জল্পনা কল্পনা থাকলেও অবশেষে দূর্ণীতির মাধ্যমে বেড়িবাঁধের  বরাদ্দকৃত অর্থ ভাগভাটোয়ারা করার পায়তারা চলছে বলে জানাগেছে।
সুনামগঞ্জ জেলার হাওরবেষ্টিত জগন্নাথপুর উপজেলার কৃষকদের  বোর ফসল রক্ষায় সরকার  বেড়িবাধঁ নির্মানে বরাদ্দ প্রদান করে  ৩৭ টি পিআইসির মাধ্যমে কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। শুরুতে কমিটি গঠন  ও বরাদ্দকৃত অর্থ জগন্নাথপুর উপজেলার ওয়েবসাইডে পূর্নাঙ্গ তথ্য প্রকাশ না করে লুকোচুরি করতে থাকে।
যদিও সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড এর ওয়েবসাইডে জেলার প্রতিটি পিআইসির তালিকা রয়েছে। সেখানে জগন্নাথপুরের পূর্নাঙ্গ তালিকা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা দেখা দেয়।
এনিয়ে স্থানীয় গনমাধ্যম কর্মীরা  সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের নিকট বরাদ্দকৃত অর্থ ও পিআইসি কমিটির তথ্য জানতে চাইলে উপজেলার ওয়েবসাইডে এর তথ্য রয়েছে বলে এড়িয়ে যান।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুহাম্মদ হাসান গাজী বলেন, আমি এখন মাঠে আছি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের অফিস সহকারী  ফয়সল চৌধুরীর নিকট বিস্তারিত তথ্য আছে।এবিষয়ে ফয়সল চৌধুরীর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বেড়িবাঁধের সকল তথ্য উপজেলার ওয়েবসাইডে রয়েছে বলে, এ নিয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।
জগন্নাথপুর উপজেলার কৃষক ময়না মিয়া, আল আমিন , সিপন মিয়া, সামছুল হক ,মাসুক মিয়া সহ অনেকেই জানান, অফিস সহকারী ফয়সল চৌধুরীর বাড়ী জগন্নাথপুরের পাশ্ববর্তী দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলায় থাকার  কারনে  তিনি নিয়মনীতির প্রতি তোয়াক্কা না করে দাপটের  সাথে চালিয়ে যাচ্ছেন নানা অনিয়ম দুর্নীতি। উপজেলা নির্বাহী অফিসে থাকার সুবাদে টাকার বিনিময়ে নানা কাজ ভাগিয়ে নেন বিতর্কিত অফিস সহকারী ফয়সল। বেড়িবাঁধ নির্মান কাজেও তার বিরুদ্ধে ঘুষ- দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার তিনি অন্যত্র বদলী হলেও কিছু দিনের মাথায় আবার জগন্নাথপুর উপজেলায় ফিরে আসেন।
এদিকে ইউ এনও অফিসের দাপুটে অফিস সহকারী ফয়সল চৌধুরী অদৃশ্য খুঁটির জোরে বহাল থাকায় জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২১ -এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!