সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল ট্রাক টার্মিনালের কার্যক্রম ব্যর্থ করে দিতে অশুভ চক্রের অপতৎপরতা শার্শায় নারী কেলেংকারী দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৮৮ কেজি গাজা সহ আটক ১ জোহরা ফ্রি মেডিকেল ক্লিনিক ডক্টরেট ডিগ্রি’ নিয়ে মমতাজ এর যত কথা সর্বাত্নক লকডাউন পালনে বেনাপোলে কঠোরতা।। সাধারন জনজীবন বিপর্যস্ত শার্শায় মাকে ধর্ষন করতে না পেরে ৮ বছরের মেয়েকে ধর্ষন চেষ্টা করার অভিযোগ আলিম নামে এক নরপশুর বিরুদ্ধে বেনাপোল চেকপোষ্টের প্রধান ফটক দিয়ে চোরাচালানি পণ্য প্রবেশ।। কাজে বাধা দেওয়ায় কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দাকে মারপিট বড়াইগ্রামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড  বেনাপোল ট্রাক টার্মিনাল এর শুভ উদ্বোধন করেন যশোর জেলা প্রশাসক
বেনাপোলে বাড়িতে গাঁজা আছে এমন অভিযোগ এনে বিজিবি বিরুদ্ধে যুবককে পিটানোর অভিযোগ

বেনাপোলে বাড়িতে গাঁজা আছে এমন অভিযোগ এনে বিজিবি বিরুদ্ধে যুবককে পিটানোর অভিযোগ

বেনাপোলে বাড়িতে গাঁজা আছে এমন অভিযোগ এনে বিজিবি বিরুদ্ধে যুবককে পিটানোর অভিযোগ
আশাদুজ্জামান আশা
বাড়িতে মাদক আছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে হাতে হ্যান্ডক্যাপ পরিয়ে পিটানোর অভিযোগ করেছে রুবেল ইসলাম নামে এক যুবক। গত রোববার বেনাপোল পোর্ট থানার ঘিবা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আছাদুল ইসলাম এর ছেলে রুবেল এর বাড়ি মাদক থাকার সন্দেহে রঘুনাথপুর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্য নায়েক মোহাইমিনুল ইসলাম তাকে পিটিয়ে আহত করে এবং তাকে বলতে বলে তোর বাড়িতে রঘুনাথপুর গ্রামের আবুর রবের ৪ কেজি গাঁজা রয়েছে তা কোথায় রেখেছিস বের করে দে। অবশেষে বাড়ি তল্লাশি করে গাঁজা না পেয়ে বিজিবি তাকে ছেড়ে দিয়ে চলে আসে।

ভুক্তভোগি রুবেল ইসলাম বলে আমার বাড়িতে এসে বিজিবি সদস্যরা বলে তোর বাড়িতে রবের ৪ কেজি গাঁজা রয়েছে। আমি তা অস্বীকার করলে আমার হাতে হ্যান্ডক্যাপ পরিয়ে আমাকে মোহাইমিনুল নামে একজন বিজিবি পিটাতে থাকে। আমি চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন ছুটে এসে বলে সে একজন রাজমিস্ত্রী। এবং সাথে ছোট্র একটি দোকান চালায়। এরপর আমাকে ছেড়ে দিয়ে চলে যায়।

রঘুনাথপুর বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক মোহাইমিনুল ইসলাম বলেন, তার বাড়িতে গাঁজা ছিল এমন সংবাদ এর ভিত্তিতে আমরা সেখানে যাই। আমাদের দেখে তার মা গাজা সরিয়ে ফেলে। আর তাকে যে মার ধরের কথা বলা হয়েছে এটা মিথ্যা। সে ওই গাজা ব্যবসা নিয়ে গ্রামে অন্য কারোর সাথে মারামারি করে আহত হয়। তার হাতে ও পায়ে আমরা সেখানে যেয়ে আঘাতের চিহৃ দেখতে পাই।

ক্যাম্পের সুবেদার আবুল কালাম বলেন, আমারা গোপন সংবাদ এর ভিত্তিতে ওই বাড়ি অভিযান চালাই। তবে বাড়িতে গাজার কোন চালান না পেয়ে চলে আসি। তবে তারা মাদক ব্যাবসা করে। এটা আমাদের কাছে অভিযোগ আছে। সব থেকে বড় কথা নায়েক মোহাইমিনুল এখানে অনেক দিন ধরে চাকরি করার সুবাদে সে এই এলাকার অনেক কিছু জানে। তার নামে অপবাদ দিয়ে তাকে সরাতে কিছু চোরাকারবারি অভিযোগ তুলতেই পারে। কারন সে থাকলে মাদক ব্যবাসায়ীদের সমস্যা হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২১ -এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!