সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

বেনাপোলে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

আশাদুজ্জামান আশা
বেনাপোলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তানী বন্দীদশা থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এ দিন বেলা ১ টা ৪১ মিনিটে জাতির অবিসংবাদিত নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের স্বর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে প্রত্যাবর্তন করেন। এ উপলক্ষে বেনাপোল পৌর আওয়ামী দলীয় কার্যালয়ে শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগ ও বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক আহসান উল্লাহ মাষ্টার।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ও বক্তব্য রাখেন শার্শা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রুহুল কুদ্দুস ভুইয়া, বেনাপোল পৌর আওয়ামীলীগের সদস্য মোজাফফার হোসেন, পৌর যুবলীগের আহবায়ক সুকুমার দেবনাথ, যশোর জেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সহ সভাপতি এমদাদুল হক বকুল, শার্শা উপজেলা আওয়ামী মহিলালীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিউটি আক্তার, সদস্য হালিমা খাতুন, উপজেলা ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক এনামুল হক মুকুল, দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রহমান প্রমুখ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন জাতির জনক পাকিস্থান থেকে প্রথমে লন্ডন যান। তারপর দিল্লী হয়ে তিনি ঢাকা ফেরেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করে সর্বোস্তরের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান। স্বাধীনতা ঘোষনার পর পাকিস্থানী সামরিক শাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নির্দেশে তাকে গ্রেফতার করে তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের কারাগারে নিয়ে আটক রাখা হয়।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি নৈন্যদের বিরুদ্ধে নয় মাস যুদ্ধের পর চুড়ান্ত বিজয় অর্জিত হলেও ১০ জানুয়ারী বঙ্গবরু স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে জাতি বিজয়ের পুর্ণ স্বাদ গ্রহন করে। জাতির জনক পাকিস্তান থেকে ছাড়া পান ১৯৭২ সালে ৭ জানুয়ারী ভোর রাতে। সাকাল সাড়ে ৬ টায় তারা পৌঁছান লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে। পরে ব্রিটেনের বিমান বাহিনীর একটি বিমানে করে ৯ জানুয়ারী দেশের পথে যাত্রা করেন। দশ তারিখ সকালেই তিনি নামেন দিল্লিতে। সেখান থেকে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রধান মন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যার্থনা শেষে আসেন ঢাকা। আনন্দে আত্নহারা হয়ে লাখ লাখ মানুষ ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রেসকোর্স ময়দান পর্যন্ত তাকে স্বতঃস্ফুর্ত সংবর্ধনা জানান। বিকাল ৫ টায় তিনি রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে ভাষন দেন। সেদিন প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে বাংলার সাড়ে ৭ কোটি মানুষ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ বাতাস।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরামের কার্যর্নিবাহী সদস্য জাকির হোসেন আলম।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!