সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল স্থল বন্দরের ডরমিটরি ভবন এর উদ্বোধন মেয়র লিটন এর শোক বেনাপোলে রাষ্টীয় মর্যদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কওছার আলীর দাফন সম্পন্ন শার্শায়  নারী ব্যাংক কর্মকর্তা সহ তার পরিবারকে মারপিট করেছে দুবৃত্তরা বেনাপোলে অবৈধ সন্তানের জননী রাতের আঁধারে পালিয়েছে শার্শায়  নারী ব্যাংক কর্মকর্তা সহ তার পরিবারকে মারপিট করেছে দুবৃত্তরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বেনাপোল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতার উদ্যেগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন বেনাপোল কাস্টমসের নানা হয়রানির প্রতিবাদে ও সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীদের বিক্ষোভে আমদানি-রফতানি বন্ধ। ৫ ঘন্টা পর চালু বেনাপোল বন্দরে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ রিজিওনাল মিউনিসিপ্যাল সাপোর্ট ইউনিট এলজিইডি খুলনা অঞ্চল আয়োজিত শহর সমন্ময় কমিটির কার্যাবলী সম্পাদনে সদস্যদের ভূমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষণ”এর দ্বিতীয় দিন বেনাপোল পৌরসভায় টিএলসিসি ভুমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে
বেনাপোলে মালিকানা জমি খাস জমি বলে বিত্তবান পরিবারের মধ্যে বরাদ্দের অভিযোগ।। ১৪৪ ধারা জারি

বেনাপোলে মালিকানা জমি খাস জমি বলে বিত্তবান পরিবারের মধ্যে বরাদ্দের অভিযোগ।। ১৪৪ ধারা জারি

আলতাফ চৌধুরীঃ
বিত্তবান পরিবারের মধ্যে খাস জমি বরাদ্দের সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে একজন নায়েব এর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগি একটি পরিবার অভিযোগ করে বলে তাদের ক্রয় কৃত সম্পত্তির মামলা চলাকালিন সময় ওই নায়েব কয়েকজনকে বরাদ্দ দিয়েছে। তাদের নিজেদের ও ৩৭ শতাংশ জমি আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে বিত্তবান পরিবারের মধ্যে বরাদ্দ দিয়েছে। বেনাপোল পোর্ট থানার বড়আঁচড়া মৌজায় তিন তলা বাড়ি থাকা সত্বেও সেই সব পরিবারকে বরাদ্দ দিয়ে সরকারী নিয়ম নিতি উপেক্ষা করেছেন এই ভুমি কর্মকর্তা এমন অভিযোগ করেছেন বেনাপোলের ছোট আচড়া গ্রামের একটি পরিবার। যে কোন সময় ওই জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে ওই পরিবার।

বেনাপোল পোর্ট থানার ছোট আঁচড়া গ্রামের আব্দুর রহমান, মাসুদুর রহমান, মাহবুবুবর রহমান (পিতা আলী আকবর সফি উদ্দিন) অভিযোগ করে বলেন তার পিতা ১৯৭৮ সালে বড় আঁচড়া মৌজায় ছোটআঁচড়া মাঠে গাতিপাড়া গ্রামের রবিউল ও সামাউল ইসলাম এর নিকট থেকে ৩৭ শতাংশ জমি ক্রয় করে। ওই জমি ২৪/০৫/১৯৭৮ ইং তারিখে রেজিষ্ট্রি হয়। যার খতিয়ান নং ১১০৩ আর এস নম্বর ৮৭৮,৯৭৫,৯৭৩। ১৯৯০ সালে মাঠ জরিপে ওই জমি আমাদের মাঠের পর্চা দিলেও প্রিন্ট পর্চা আমাদের দেয়নি। এই সুযোগে বেনাপোল ভুমি অফিসের তহশিলদার আবু সাঈদ ৮ জনকে ওই জমি বরাদ্দ দেয় সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের যোগসাজসে। সরকারী বিধিমালায় আছে কোন জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা চলকালে ওই জমি বরাদ্দ দেওয়া যাবে না। তারপরও আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে আবু সাঈদ সাহেব বড় অংকের অর্থের মাধ্যেমে এ জমি বরাদ্দ দেয় কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে। জমির প্রিন্ট পর্চা না পাওয়ায় ওই জমির রেকর্ড সংশোধন মামলা করা হয় । যার মামলা নং ৫৪/১৬ তারিখ ১৩/০৭/২০১৬ ।

অভিযোগকারীরা আরো বলে, যে ৮ জন এর নামে জমি বরাদ্দ দিয়েছে তারা সকলে বিত্তশালী ও মধ্যেবিত্ত। সকলের জমি আছে। উল্লেখিত জমি বরাদ্দ যাদের নামে দিয়েছে তারা হলো বেনাপোল পোর্ট ানার গাজিপুর গ্রামের রজব আলীর ছেলে শের আলী, ছোট আঁচড়া গ্রামের শের আলীর মেয়ে মনোয়ারা খাতুন, একই গ্রামের লিয়াকত আলীর মেয়ে ছকিনা খাতুন, বড়আঁচড়া গ্রামের মনির হোসেন এর ছেলে বাবু , নামজগ্রামের আব্দুল কাদের এর ছেলে নুর ইসলাম, গাতিপাড়া গ্রামের বরকত এর মেয়ে আমেনা খাতুন ও ছোটআচড়া গ্রামের ছবেদ আলীর ছেলে লিয়াকত আলী। এর মধ্যে শের আলীর তিন তলা একটি বাড়ি রয়েছে এবং অন্যান্য সকলের বাড়ি ও জমি আছে। আমরা এ সংক্রান্ত বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় ভুমি কর্মকর্তা আবু সাঈদ এর নামে একটি সাধারন ডায়েরী করেছি। যার নাম্বার ৩২৮, তারিখ ৯/১২/১৮। এছাড়া গত ১৪/০১/২০ ইং তারিখে বিজ্ঞ যশোর জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করি। বিজ্ঞ আদালত যাতে কোন রক্ষক্ষয়ী সংঘর্ষ না হয় তার জন্য ১৪৪ ধারা জারী করেছে। উল্লেখ্য আমরা ওই ৩৭ শতাংশ জমি ১৯৭৮ সাল থেকে ভোগ দখল করে আসছি।

বেনাপোল ভুমি অফিসের কর্মকর্তা আবু সাইদ এর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন যারা অভিযোগ করেছে তাদের নামে কোন জমি নেই। এটা সরকারী খাস জমি। সরকারী বিধি মালা অনুযায়ী ভুমিহীনদের মাঝে বরাদ্দ করা হয়েছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!