সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল স্থল বন্দরের ডরমিটরি ভবন এর উদ্বোধন মেয়র লিটন এর শোক বেনাপোলে রাষ্টীয় মর্যদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কওছার আলীর দাফন সম্পন্ন শার্শায়  নারী ব্যাংক কর্মকর্তা সহ তার পরিবারকে মারপিট করেছে দুবৃত্তরা বেনাপোলে অবৈধ সন্তানের জননী রাতের আঁধারে পালিয়েছে শার্শায়  নারী ব্যাংক কর্মকর্তা সহ তার পরিবারকে মারপিট করেছে দুবৃত্তরা সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে বেনাপোল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতার উদ্যেগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরন বেনাপোল কাস্টমসের নানা হয়রানির প্রতিবাদে ও সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীদের বিক্ষোভে আমদানি-রফতানি বন্ধ। ৫ ঘন্টা পর চালু বেনাপোল বন্দরে আমদানি রফতানি বানিজ্য বন্ধ রিজিওনাল মিউনিসিপ্যাল সাপোর্ট ইউনিট এলজিইডি খুলনা অঞ্চল আয়োজিত শহর সমন্ময় কমিটির কার্যাবলী সম্পাদনে সদস্যদের ভূমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষণ”এর দ্বিতীয় দিন বেনাপোল পৌরসভায় টিএলসিসি ভুমিকা শীর্ষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে
ধর্ষনকে পুজি করে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মামলা ।। অতপর তরুন আটক, মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষন এর আলামত নেই

ধর্ষনকে পুজি করে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মামলা ।। অতপর তরুন আটক, মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষন এর আলামত নেই

ধর্ষনকে পুজি করে মিথ্যা নাটক সাজিয়ে মামলা ।। অতপর তরুন আটক, মেডিকেল রিপোর্টে ধর্ষন এর আলামত নেই

আলতাফ চৌধুরীঃ
সারাদেশ যখন ধর্ষন এর বিচার এর দাবিতে উত্তাল তখন ধর্ষন এর মত একটি স্পর্শ কাতর বিষয় নিয়ে এক তরুনকে ফাঁসানোর অভিযোগ উঠিয়েছে হাসনা খাতুন নামে এক গৃহ পরিচারিকার বিরুদ্ধে। ধর্ষন এর বিচার দাবি মৃত্যু দন্ডের দাবিতে দেশ জুড়ে আন্দোলন সংগ্রামে যখন মুখর তখন সুযোগটি কাজে লাগিয়েছে ওই গৃহ পরিচারিকা তরুনী ও তার পরিবার। সে শার্শার নাভারন সাতক্ষীরা মোড় এলাকায় একটি বাসায় কাজ করার সময় তার ফুপু রহিমা বেগম, স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি ও জালাল হোসেন এর প্ররোচনায় পড়ে অর্থের লোভে মিথ্যা মামলা দায়ের করে শার্শা থানায়। ওই ঘটনায় মেডিকেল রিপোর্ট আসার আগেই ধর্ষনকারী সন্দেহে আজমাল ফাহিম আবির নামে এক তরুনকে পুলিশ আটক করে। এরপর ঐ তরুনী তার নিজের ভুল বুঝতে পেরে কোর্টে যেয়ে জবানবন্দী দেয় এটা সাজানো মামলা। অতপর ওই যুবক ২০ দিন কারাবাস এর পর জামিন পায়।

হাসনা খাতুন নামে ওই তরুনী বলেন, আমি আবির এর নামে মিথ্যা মামলা দিয়েছি। এটা আমার ভুল। আমি ভুল বুঝতে পেরে তা সংশোধন করে নিয়েছি। আমি লোভে পড়েছিলাম। আমি মাথায় শয়তানী বুদ্ধি এনেছিলাম। আমার ভুল হয়েছে। এদিকে আবির হাসনার মিলনের মেডিকেল রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ওই রিাপোর্টে ধর্ষন এর কোন আলামত পায়নি।

উলাশী গ্রামের রিজিয়া বেগম বলেন, মেয়েটি একজন প্রতারক। সে তার ফপুর প্ররোচানায় পাড়ে নিরীহ ওই ছেলেটির নামে মিথ্যা মামলা করেছিল অর্থের লোভে। সে চিটাগাং সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে গৃহপরিচারিকার কাজ করত। তার ফুপুর বাড়ি শার্শার উলাশি এসে সে একটি কুল বাগানে স্থানীয় এক যুবকের সাথে অনৈতিক কাজ করে ধরাও পড়ে। এরপর সে নাভারন আলহাজ্ব হাজী এনামুল সাহেব এর বাড়িতে কাজের জন্য যায় তার ফুপু রহিমা খাতুনের মাধ্যেমে। ওই বাড়ির লোকজন এই নারীর চরিত্র সম্পর্কে জানত না। সে তিন মাস ওই বাড়িতে কাজ করেছে। তার সাথে খারাপ কোন কাজ করে তবে সে তিন মাস পরে বলবে কেন? তাছাড়া নাভারন থেকে হাসান তার ফুপু বাড়ি বেড়াতে এসে পরিকল্পনা মাফিক এধরনের মিথ্যা অপবাদ রটিয়েছে যা অত্যান্ত লজ্জাসকর।

নাভারন সাতক্ষীরা মোড়ের এনামুল হক এর ছেলে কম্পিউটার ওয়ার্ল্ডের ফাউন্ডার আজমল ফাহিম আবির বলেন, আমাকে আইটি ভিত্তিক কাজের সুবাদে বেশিরভাগ সময় ঢাকাতে অবস্থান করতে হয়। করোনা কালীন সময় আমি বাড়ি আসি আর সেই সময় ওই তরুনী কি কারনে যে আমার নামে মিথ্যা মামলা করল তা আমার বোধ গম্য নয়। তবে এখন তার কথায় বুঝছি সে অর্থের লোভে কারো প্ররোচনায় পড়ে এরকম একটি মিথ্যা মামলার আশ্রয় নিয়েছে।

এ বিষয় সম্পর্কে স্থানীয় ওই মেম্বার এর নিকট জানতে চাইলে সে বলে যে বিষয় নিয়ে মিমাংসা হয়েছে তা নিয়ে আবার ঘাটাঘাটির প্রয়োজন আছে কি? মেয়েটির পরিবার সু কৌশলে আবির এর জামিন করার জন্য একটি বড় অংকের অর্থ নিয়েছে বলে একটি সুত্র দাবি করে।

উলাশি বাজার এলাকার জনৈক এক ব্যাক্তি বলেন রহিমা খাতুন একজন খারাপ নারী। সে এর আগে এই ইউনিয়ন এর একটি পার্কে যুবতী মেয়েদের এনে দিত আগত দর্শকদের সাথে মনোরঞ্জন এর জন্য । এর সাথে ওই পার্কের মালিক এর ঘনিষ্ট সম্পর্ক ছিল। বর্তমানে পার্কটি ভেংগে দেওয়ার পর এই রহিমা খাতুন তার ভাতিজী হাসনা সহ বিভিন্ন মেয়েদের এনে পুর্বের পরিচিত খরিদ্দারদের হাতে তুলে দিয়ে অর্থ উপার্জন করে।
এ বিষয়ে শার্শা থানার তদন্তকারী এসআই তরিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা এ মামলার তদন্ত করছি। তবে ধর্ষন এর কোন আলামত সংগ্রহ করতে পারি নাই। এটা মেডিকেল রিপোর্টে বুঝা যাবে। এছাড়া ধর্ষন এর নয়দিন পর হাসনা নামে ওই নারী মামলা করে। এটা সাজানো নাটক কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত সাপেক্ষ বলা যাবে। মেডিকেল রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে এটা জেনেছেন কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন শুনেছি।
উল্লেখ্য বাদি হাসনা খাতুন তার ভুল বুঝতে পেরে সে কোর্টে যেয়ে মামলা তুলে নিয়েছে। তারপরও তাকে আবারও কিছু লোক চাপ প্রয়োগ করছে বলে নির্ভরযোগ্য সুত্র দাবি করে।

মোঃ আনিছুর রহমান
বেনাপোল যশোর
০১৯১৬৯১৯৩৬২
২৭/১১/২০

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!