সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল বন্দরে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার এর আকস্মিক পরিদর্শন বিজয়ের মাসে তারুণ্যের ভাবনা নীলফামারীর চিলাহাটি-হলদিবাড়ী নবনির্মিত রেলপথ পরিদর্শন করলেন ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আদালতের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বেনাপোলে খাস জমি বরাদ্দের অভিযোগ তহশিলদার এর বিরুদ্ধে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি নিজেই স্বাস্থ্য ঝুকির মধ্যে বিভিন্ন মেয়াদে ভারতে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৮ নারী শার্শায় পল্লী চিকিৎসকদের বৈঠকে চেয়ারম্যান কালামের হামলা সহকর্মীকে লাঞ্চিত করায় বেনাপোলে কাস্টমস হাউজে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ জয়েন্ট কমিশনারের বরখাস্ত চেয়ে বেনাপোল কাস্টমে বিক্ষোভ বেনাপোলে মালিকানা জমি খাস জমি বলে বিত্তবান পরিবারের মধ্যে বরাদ্দের অভিযোগ।। ১৪৪ ধারা জারি
শার্শায় গাঁজা চাষী ইউপি সদস্য

শার্শায় গাঁজা চাষী ইউপি সদস্য

আলতাফ চৌধুরী
যশোরের শার্শার পল্লীতে গাঁজা চাষ করার অভিযোগ উঠেছে কওসার আলী (৫৬) নামে এক ইউপি সদস্যর নামে। সে উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মহিষা-দীঘা গ্রামের বর্তমান মেম্বার এবং একই গ্রামের মৃত বাহার আলীর ছেলে।
গোপন খবর পেয়ে সরেজমিনে গিয়ে মহিষা গ্রাম হইতে আধা কিলোমিটার দুরে বিলের ভিতর তার নিজস্ব মাছের ঘেরের পাড়ে গাঁজার চাষ করছে মেম্বার কওছার আলী । এ সময় সেখানে ৩টি গাঁজা গাছ দেখতে পাওয়া যায়।

এই বিষয়ে ইউপি সদস্য কওছার আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এই মাছের ঘের গত ৬ মাস হলো চাষের জন্য বর্গা নিয়েছি। বেশ কিছু দিন আগে কয়েকজন সাংবাদিক আমাকে উপজেলায় এক প্রগ্রামে বলেছিলেন আমার ঘেরের পাড়ে নাকি গাঁজা গাছ লাগানো আছে। পরে আমি এসে ঔ চারা গুলো দেখি তবে এ গুলো গাঁজা গাছ এটা আমি বুঝতে পারিনি। আমার ছোট্ট ছেলে রুবেল ঘের দেখা শোনা করেন। তিনি আরো বলেন আমি এখনি যেয়ে কেঁটে ফেলে দেব।

তাহলে আপনার ছেলে কি গাঁজার চাষ করে তা বিক্রি করে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের কোন উত্তর তিনি দিতে পারেননি। পরে তার ছেলেকে সামনে আনতে বললে তিনি আপরাগতা প্রকাশ করেন।এই বিষয়ে কায়বা ইউপি চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুকে মুঠোফোনে জানালে তিনি রাগান্নিত কন্ঠে সাংবাদিকদের বলেন, মেম্বার কি গাঁজা গাছ চেনে নাকি ? এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নাই।

শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)বদরুল আলম বলেন, গাঁজা একটি মরণঘাতি নেশা দ্রব্য এটি চাষ করা আইনের চোখে অপরাধ। আমি অবশ্যই ব্যবস্থা নিব।
পরে শার্শা থানার এএসআই রবিউল ইসলাম সংগীয় ফোর্স নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে দেখতে পান সেখানে কোন গাঁজার গাছ নাই। ধারনা করা হচ্ছে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পূর্বে গাছ গুলা উপড়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions
error: Content is protected !!