স্থল বন্দর গতিশীল থাকছে না ।। নীতিমালার পরিবর্তন দরকার

স্থল বন্দর গতিশীল থাকছে না ।। নীতিমালার পরিবর্তন দরকার

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ (বা,স্থ,ব,ক) এর কাঠামোগত বিকেন্দ্রীকরনের তথা গনতান্ত্রায়নের দাবি এখন যৌক্তিক হয়ে উঠেছে। উল্লেখ্য ২০০৪ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে যখন এই প্রতিষ্ঠানটি গঠিত হয় তখন দেশের একমাত্র স্থল বন্দর বেনাপোলকে টার্গেট করেই এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করা হয়েছিল। তখন প্রতিষ্ঠানটি চাকুরী বিধি নিয়োগ বদলী নির্মান ইত্যাদি সহ নানাবিধ কর্মকান্ড পরিচালনার জন্য যে নিতিমালা প্রনয়ন হয় সেটি ছিল এককেন্দ্রিক। কিন্তু আজ এই প্রতিষ্ঠানটির অধিনে সমগ্র দেশে স্থল বন্দর এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ টি । স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে নিতিমালার বিকেন্দ্রিকরন না করলে পুরোনো নিতি মালা দিয়ে কি সুষ্ঠু ভাবে প্রতিষ্ঠানটি গতিশিল ভাবে চালানো সম্ভব ?

এ প্রসঙ্গে বাস্থবক এর চেয়ারম্যন কে এম তারিকুল ইসলাম এর কাছে তার মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমিতো এই প্রতিষ্ঠানে নতুন এসেছি তাই এ সংক্রান্ত নীতিমালা সম্পর্কে তেমন কোন ধারনা নেই। তবে আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মরত প্রবীন কর্মকর্তাদের কেউ না কেউ এ বিষয় ভালো বলতে পারবেন। আপনি যখন বিষয়টি উঠিয়েছেন তখন আমি এ বিষয়টি নিয়ে কি করা যায় সে ব্যাপারে ভাববো। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য যে বাস্থবক এর অধিন যেকোন বন্দরে কর্মরত কর্মচারী বদলী ,শাস্তি, কিংবা যে কোন বিষয়ে কোন কিছু করার ক্ষমতা ওই বন্দর পরিচালাক সংরক্ষন করেন না। একজন সাধারন এমএল এস যদি কোন অপরাধও করে তাহলে ওই পরিচালকের কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই। এ ব্যাপারে তাকে সরাসরি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এর মুখাপেক্ষি থাকতে হয়। এটা একটি গনতান্ত্রিক উন্নয়নশীল দেশে আদৈও কি প্রযোয্য হয়ে থাকতে পারে। এ্ই নিতিমালার বিষয়টি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান ময়েজ উদ্দিন আহমেদ কিংবা তপন চক্রবর্তীর সময়ে একাধিকবার উঠানো হয়েছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী শাহজাহান খান সহ মন্ত্রনালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কেউই গুরত্ব সহকারে বিষয়টি বিবেচনা করেননি। যারই ফলশ্রতিতেতে আজ এই প্রতিষ্ঠানটি একটি স্থবির প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চলেছে।

বাস্থবক চেয়ারম্যান এর কাছে আরো জানতে চাওয়া হয়েছিল উপ- পরিচালক মামুন কবির তরফদার প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও কি ভাবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জেনারেল কোটার সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে তা দাখিল করে এই প্রতিষ্ঠানের চাকরি প্রাপ্ত হলো ?। একই বন্দরে কর্মরত উপপরিচালক আব্দুল জলিল সহকারী পরিচালক থেকে সিনিয়র সহকারী পরিচালকের পদটি এড়িয়ে কি ভাবে সরাসরি উপ-পরিচালক হয়ে গেল?। উত্তরে চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, আমি তো আগেই বলেছি, একেবারেই নতুন মানুষ এই প্রতিষ্ঠানে।

এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যায় যে, বাস্থবক এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হাসান আলী এই প্রতিষ্ঠানটিকে তার দুর্নিতীর জালে জিম্মি করে রেখেছে। এই লোকটি সেই বেনাপোল থেকে একজন সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যাত্রা শুরু করে অদ্াযবধি তার অপকর্ম অব্যাহত রেখেছে।তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বোঝা ক্রমাগত ভারী হচ্ছে।

 

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions