সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে ২০০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক -২ যুবকরা হচ্ছে রাষ্ট্র নির্মানের কারিগর।। রাজনীতি করতে গেলে নেতা হতে হলে মানুষের ভালবাসা অর্জন করতে হয়—— মেয়র লিটন শার্শার সীমান্ত থেকে ৭ জুয়াড়ী আটক বেনাপোল মেয়র পরিবারের সিনিয়র ও জুনিয়র সদস্যদের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বেনাপোল সীমান্ত থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জিয়াউর রহমানের মত শ্বৈরশাসক অস্ত্র গুলি দিয়ে লেলিয়ে দিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগের মত সংগঠনের বিরুদ্ধে—- মেয়র লিটন নাটোরে একদিনে সর্বোচ্চ ৫২ জন করোনায় আক্রান্ত  চামড়া পাচার রোধে বেনাপোলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি শার্শায় চাঁদার দাবিতে জিম্মিকারী শান্টু গেফতারঃ দুইজন ভিকটিম উদ্ধার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামীলীগে কোন নেতার দাসত্ব গোলামী আমরা করব না—– মেয়র লিটন
শার্শায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রুগি শয্যাশায়ী

শার্শায় ডাক্তারের ভুল চিকিৎসায় রুগি শয্যাশায়ী

বেনাপোল প্রতিনিধিঃ

শার্শায় ভুল চিকিৎসায় হাবিবুর রহমান নামে একজন রোগি শয্যাশায়ী। উপজেলার আমলায় বাজারে ডাঃ এম এ শাহিন এর ভুল চিকিৎসা দিয়েছেন ওই রোগিকে এমনটি অভিযোগ উঠেছে।

তার নামের আগে এল এম এ ডা,এম এ শাহিন জেনারেল ফিজিসিয়ান হাড় ভাঙা বাত ব্যথা রোগে বিশেষ প্রশিক্ষন প্রাপ্ত লেখা আছে । আর্থোপেডিক্স এন্ড এক্স-রে সেন্টার নামে শার্শার আমলাই বাজারে তার নিজস্ব চেম্বার।
গত মঙ্গলবারে রুদ্রপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের পায়ের পাতা ঘুরে গেলে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ডাক্তারের চেম্বারে। ডাক্তার শাহিন রোগিড়র স্বজনদের এক্স-রে করতে বলে। দুই হাজার টাকা চুক্তি হয়। যদি পা না ভাঙে তবে সেট করে দেয়া হবে এমন প্রতিশ্রুতি দেন। এক্সরে রিপোর্টে পা ভাঙানি বলে জানানো হয়। পরে রোগীর ভাঙা পা টেনে কিছু ওষুধ দিয়ে বলে বাড়ি চলে যান সব ঠিক হয়ে যাবে।

বাড়িতে নেওয়ার পর জ্বালা যন্ত্রনা না কমায় শুক্রবারে নেয়া হয় বাগআচ[া ডা,গোলাম ফারুকের ক্লিনিকে। সেখানে পুনরায় এক্সরে করা হয় । সেই রিপোর্টে বলা হয় পা সেট হয়নি। ভাঙা হাড়ের ভিতর টুকরো আছে অপারেশন করতে হবে ।অপারেশন করতে খরচ হবে ৭০ হাজার টাকা।

হাবিবুর রহমান জানান,আমার ভ্যান চালিয়ে সংসার চলে চিকিৎসার জন্য এত টাকা কোথায় পাবো। ডাক্তার শাহীন টানাটানি করে আমার পা ভেঙে দিয়েছে। দু’হাজার টাকার লোভে ক্ষতি করে দিলো আমার সংসারটা। এ বিষয়ে গোগা ইউনিয়নের আমলায় ইউপি সদস্য বুলু আহম্মেদ বলেন ডাক্তার শাহিন কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে লেখা পড়া না শিখে সে গ্রামের লোকদের নিকট থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে ডাক্তার এম এ শাহীন বলেন হাবিবুর রহমানের পা এক্স-রে করার পর বুঝা যাচ্ছিল কোন সমস্যা নেই তাই ওষুধ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে ছিলাম। পরে শুনি অবস্থা খারাপ তখন তাকে যশোর নেওয়ার জন্য বলা হয়।

মোঃ আনিছুর রহমান

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions