সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে ২০০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক -২ যুবকরা হচ্ছে রাষ্ট্র নির্মানের কারিগর।। রাজনীতি করতে গেলে নেতা হতে হলে মানুষের ভালবাসা অর্জন করতে হয়—— মেয়র লিটন শার্শার সীমান্ত থেকে ৭ জুয়াড়ী আটক বেনাপোল মেয়র পরিবারের সিনিয়র ও জুনিয়র সদস্যদের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বেনাপোল সীমান্ত থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জিয়াউর রহমানের মত শ্বৈরশাসক অস্ত্র গুলি দিয়ে লেলিয়ে দিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগের মত সংগঠনের বিরুদ্ধে—- মেয়র লিটন নাটোরে একদিনে সর্বোচ্চ ৫২ জন করোনায় আক্রান্ত  চামড়া পাচার রোধে বেনাপোলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি শার্শায় চাঁদার দাবিতে জিম্মিকারী শান্টু গেফতারঃ দুইজন ভিকটিম উদ্ধার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামীলীগে কোন নেতার দাসত্ব গোলামী আমরা করব না—– মেয়র লিটন
মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর রফি হত্যাকান্ডে ৫ জন আটক

মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর রফি হত্যাকান্ডে ৫ জন আটক

মোরশেদ আলম,যশোর ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ যশোর মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর সাবেক চরমপন্থী নেতা রফিকুল ইসলাম রফি (৫০) হত্যাকান্ডের ঘটনায় ৫ চরমপন্থী সদস্য।

আটকের মধ্যদিয়ে হত্যাকান্ডের ক্লু-উদঘাটন হয়েছে বলে পুলিশের দাবী। আটক অভিযানের সময় একটি দোনালা বন্দুক, দুই রাউন্ড কার্তুজ ও খুনিদের ব্যবহৃত ৫টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয় বলে জানা যায়।শনিবার এক ব্রিফিংএ এ তথ্য নিশ্চিত করেন যশোর পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

পুলিশ ব্রিফিংএ দাবী করা হয়, গত শুক্রবার যশোর ডিবি, অভয়নগর ও মণিরামপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযান চালিয়ে মণিরামপুর ও অভয়নগর এলাকা থেকে সাবেক চরমপন্থী নেতা রফিকুল ইসলাম রফি হত্যাকান্ডে জড়িত ৫ জনকে আটক করা হয়। আটককৃতরা হেলাল ভূঁইয়া (২০), মো. সেলিম (২২), হাসান আলী, (৩৫), সমীরণ পাঁড়ে (৫৪) ও তাপস মোড়ল (৩৮)। তারা নিউ পূর্ববাংলার কমিউনিষ্ট পার্টির সদস্য এবং তারা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রফিকুল ইসলাম হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। নিহত রফিকুল ইসলাম রফি এক সময় একই চরমপন্থী দলের সদস্য ছিল। কৌশলে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন জানান, সাবেক চরমপন্থী নেতা রফিকুল ইসলাম হত্যা মামলা চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হওয়ায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করে গ্রেফতারকৃত ৫ জনকে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে হাজির করা হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলার মধুপুর এলাকার মৃত আসমত বিশ্বাসের পুত্র রফিকুল ইসলাম রফি (৫০) কে গত ৯ জুলাই দুপুর পৌনে ২টার দিকে উপজেলার আলোচিত ক্রাইম পয়েন্ট কুচলিয়া-দিগঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মণিরামপুর-নওয়াপাড়া সড়কে গুলি করে ও গলাকেটে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। প্রকাশ্য দিবালোকে সাবেক চরমপন্থী নেতা হত্যাকান্ডের পর এলাকায় অজানা আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই হত্যাকান্ডের ক্লু উদঘাটনের জন্য মণিরামপুর থানা পুলিশসহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন গোয়েন্দা শাখা মাঠে নামে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিরিনা আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা খুনিদের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। চাঞ্চল্যকর এ হত্যা মামলার তদন্তভার দেয়া হয় ওসি (তদন্ত) শিকদার মতিয়ার রহমানের উপর। হত্যাকান্ডের পর নিহতের পরিবারসহ কয়েকটি সূত্র দাবী করেন, চরমপন্থী দল ছেড়ে রফিকুল ইসলাম রফি স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ফিরে আসার অংশ হিসেবে ভাড়ায় ইজিবাইক চালাতেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions