সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোলে ২০০ বোতল ফেনসিডিল সহ আটক -২ যুবকরা হচ্ছে রাষ্ট্র নির্মানের কারিগর।। রাজনীতি করতে গেলে নেতা হতে হলে মানুষের ভালবাসা অর্জন করতে হয়—— মেয়র লিটন শার্শার সীমান্ত থেকে ৭ জুয়াড়ী আটক বেনাপোল মেয়র পরিবারের সিনিয়র ও জুনিয়র সদস্যদের মাঝে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বেনাপোল সীমান্ত থেকে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার জিয়াউর রহমানের মত শ্বৈরশাসক অস্ত্র গুলি দিয়ে লেলিয়ে দিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগের মত সংগঠনের বিরুদ্ধে—- মেয়র লিটন নাটোরে একদিনে সর্বোচ্চ ৫২ জন করোনায় আক্রান্ত  চামড়া পাচার রোধে বেনাপোলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি শার্শায় চাঁদার দাবিতে জিম্মিকারী শান্টু গেফতারঃ দুইজন ভিকটিম উদ্ধার বঙ্গবন্ধুর আদর্শের আওয়ামীলীগে কোন নেতার দাসত্ব গোলামী আমরা করব না—– মেয়র লিটন
কালিয়ায় ৬ মাসেও মিলছে না পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, ভৌতিক বিলে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

কালিয়ায় ৬ মাসেও মিলছে না পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ, ভৌতিক বিলে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ

মো জান্নাতুল বিশ্বাস,নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের কালিয়ায় পল্লীবিদ্যুৎ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভুতুড়ে বিলসহ নানা ভাবে গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। নতুন সংযোগ পেতে জামানতের টাকা জমা দেয়ার ৬মাসেও সংযোগ মিলছেনা বরং মাসের পর মাস ঘুরিয়ে গ্রাহক হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে।

এছাড়া করোনা কালে ভৌতিক বিলের কারণে গ্রাহকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী নতুন সংযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে জামানতের টাকা জমা নেয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে নতুন সংযোগ স্থাপন বা আবেদনকারির প্রতিকার পাওয়ার কথা থাকলেও উপজেলার শীতলবাটি গ্রামের নূর আলী অভিযোগ, তিনি রাইস মিলে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার জন্য গত বছর ২৯ ডিসেম্বর কালিয়া পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে ১৮হাজার ৪০০টাকা জমা দিয়েছেন। সব কার্যক্রম সঠিক ভাবে সম্পন্ন করার পরও তিনি গত ৬মাসেও রহস্য জনক কারণে সংযোগ পাননি। উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামের রাসেল শেখ অভিযোগ, বকেয়া বিলের কারণে তার বিদ্যুৎ সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করা হলে তিনি বকেয়া বিল পরিষোধ করে গত ২৫ মার্চ পূণঃসংযোগ ফিসহ আবেদন করলেও তিন মাস ধরে তদবিরের পর গত ১৮জুন তার সংযোগটি পূণঃস্থাপন করতে পেরেছেন।

অপরদিকে, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিল আদায়ের ক্ষেত্রে গত ফেব্রুয়ারী মাস থেকে সরকার কর্তৃক বিদ্যুৎ বিলের বিলম্ব মাশুল মৌকুফ করাসহ বিদ্যুৎ বিল আদায়ে গ্রাহকদের হয়রানি না করার নির্দেশ উপক্ষো করে ডিজিএম মমিনুর রহমান গত মার্চ মাসের পরিষোধিত বিল মে মাসের বিলের সঙ্গে বকেয়া ও বিলম্ব মাসুলসহ যুক্ত করে গ্রাহকদের মারাত্মক হয়রানি করছেন বলে গ্রাহকদের অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে কালিয়ায় এসে ভৌতিক বিল সংশোধন করতে গ্রাহকদের সীমাহীন দুভোর্গে পড়তে হচ্ছে। বর্তমান ডিজিএম মো. মমিনুর রহমান বিশ্বাস কালিয়ায় যোগদানের পর ওইসব অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানি বেড়ে গেছে বলে ভুক্তভোগী অধিকাংশ গ্রাহকদের অভিযোগ।

এ বিষয় কালিয়া পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের ডিজিএম মো. মমিনুর রহমান বিশ্বাস বলেন, ২০২১সালের ডিসেম্বর মধ্যে সরকারের ঘোষণানুযায়ী কালিয়া উপজেলাকে শতভাগ বিদ্যুতায়ন করা হবে। তবে বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র ও টাকা জমা দেয়ার পরও কেন ৭ মাসেও সংযোগ দেয়া হচ্ছেনা ? এ প্রশ্নের উত্তরে, তিনি কোন সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে মুঠোফোন কেটে দেন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Developed BY AMS IT & Solutions