সংবাদ শিরোনাম :
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে সতর্কতাঃ রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক যাতে পালিয়ে ভারত না যেতে পারে বেনাপোল পৌরসভার বাজেট ঘোষনা ।। স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বারোপ ।।চলতি অর্থবছরেই পুর্নাঙ্গ হাসপাতাল নির্মানের পরিকল্পনা কেশবপুর সড়ক দূর্ঘটনায় কৃষকের মৃত্যু বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের অভিযান ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ মাদক বহনকারী গ্রেফতার দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে ডাক্তার আমজাদের বড্ড প্রয়োজন ছিল এই জনপদে—– মেয়র লিটন ডাক্তার আমজাদ এর মৃত্যুতে মেয়র লিটনের শোক বেনাপোলের বাহাদুরপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক আসার অভিযোগ বেনাপোলে ব্যবসায়ি জগদীশের মৃত্যুতে মেয়র লিটন এর শোক বেনাপোলে করোনা পজিটিভ এর জন্য তালশারি দুটি বাড়ি লকডাউন বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফ গুলিতে মাদক ব্যবসায়ি নিহত
মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আম নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীরা

মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আম নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীরা

আঃজলিলঃবিশেষ প্রতিনিধিঃ

দেড় থেকে দুই মাসের মধ্যেই আম পাকা শুরু হবে। কিন্তু মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে আম নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষীরা।
ইতিমধ্যেই করোনাভাইরাসের কারণে অর্থনীতি ও ব্যবসায় ব্যাপক ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া সরকার ঘোষিত ছুটিতে স্থবির সারা দেশ। ফলে থমকে আছে সবকিছুই। কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারছেন না। এতে বিশেষ করে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। আম চাষীরাও এজন্য দুশ্চিন্তায় ভুগছেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি অফিসের তথ্যে জানা গেছে, জেলায় প্রায় ৩৩ হাজার ৩৫ হেক্টর জমিতে আম বাগান রয়েছে। এই জেলায় খাদ্যশস্যের পাশাপাশি অর্থকরী ফসল হিসেবে আম প্রধান।
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ জেলার আমের সুখ্যাতি সবচেয়ে বেশি।
জেলার আমের গাছগুলোতে এখন কাঁচা আমে পরিপূর্ণ। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে যেটুকু ফলনের আশা করেছিলেন চাষিরা তাতেও পড়ছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব। জেলায় লকডাউনের কারণে কৃষি উপকরণ, কীটনাশক ও শ্রমিক সংকট এরই মধ্যে প্রকট আকার ধারণ করেছে। ফলে আমের যত্ন নিতে বেগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।
এছাড়া মৌসুমের শুরু থেকেই ক্ষতিকর মিজ পোকা, হপার পোকা, গাছের পাতায় আক্রমণ শুরু হয়। কিন্তু দোকান-পাট বন্ধ থাকায় এখন সার-কীটনাশক পাওয়া কঠিন। ফলে আমের পূর্ণাঙ্গ পরিচর্যা নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন আমের রাজধানী খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম চাষিরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট-আব্বাস বাজার গ্রামের আম চাষী রবিউল আউয়াল জানান, প্রায় ৫০ বিঘা আম বাগান লিজ নিয়ে চাষ করেছি। গাছে যথেষ্ট আম আছে। মহামারী করোনাভাইরাস নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। আম পাড়া শুরু হওয়ার আগে এই মহামারী স্বাভাবিক না হলে অনেক ব্যবসায়ী ও চাষীদের পথে নামতে হবে। এ দিকে সামনে যে কোনো সময়ে কালবৈশাখী ঝড়ের একটি ভয়ও আছে।
শিবগঞ্জ সেলিমাবাদ গ্রামের বিশিষ্ট আম চাষী সামীম খাঁন জানান, বিগত দুই বছর কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে সরকারিভাবে সময় বেঁধে আম পাড়া শুরু এবং বাজার মূল্য ভালো না পাওয়ায় আমের সঙ্গে সম্পৃক্তরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। চলতি মৌসুমে আমের উৎপাদন তুলনামূলক কম হয়েছে। ফলে বাজার মূল্য ভালো হওয়ার কথা। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারণে সে আসা ভেস্তে যেতে বসেছে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ড. মুহাম্মদ মুনজুরুল হোদা বলেন, এক বছর গাছে ভালো আম হলে অন্য বছর কম হয়। পরপর দুই বছর প্রচুর পরিমাণ আম উৎপাদন হয়েছে। সেই তুলনায় এ বছরও গাছে আম ভাল রয়েছে। মহামারী করোনাভাইরাস কেটে গেলে আশা করছি চাষীরা ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জলিল

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions