বেনাপোলে ব্যাঙ্গের ছাতার মত মুর্খরা সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে: জনমনে নানা প্রশ্ন

বেনাপোলে ব্যাঙ্গের ছাতার মত মুর্খরা সাংবাদিক পরিচয় দিচ্ছে: জনমনে নানা প্রশ্ন

বেনাপোল থেকে নহিদ পারভেজঃ
বেনাপোল পোর্ট থানা এলাকায় সম্প্রতি ব্যাঙের ছাতার মত সাংবাদিক গজিয়েছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। এসব সাংবাদকি নাম ধারীরা কোন পত্র পত্রিকার সাথে সর্ম্পক্ত না থেকে বিভিন্ন পত্র পত্রিকার পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করছে এলাকার ব্যবসায়ি ও সরকারী কর্মকর্তাদের কাছে।

একটি বিশেষ সুত্র জানিয়েছে এসকল সাংবাদিক নাম ধারীরা কিছু ভুই ফোড় অনলাইনে সংবাদ পরিবেশন করে। সে সংবাদে থাকে না কোন ভিত্তি। নেই কোন দাড়ি কমা সেমিকোলন। এরা একটি লাইনে তিনটি বানান ভুল ও বাক্যর সাথে কথার মিল না থাকায় প্রকৃত সাংবাদিকরা এদের দৌরাতেœ হাস্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এদের মোবাইল ক্যামেরা ও ডিজিটাল কিছু ক্যামেরা নিয়ে ছুটাছুটিতে প্রকৃত সাংবাদিকরা সংবাদ সংগ্রহ করতে পারছে না বলে একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব টাউট বাটপর কখনো কখনো নিজেদের ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিচ্ছে আগামি কাল আসছে দুর্নিতী ওমক নিউজ তমক নিউজ। এদের ধান্দা যদি লাইগা যায়। তবে ওই দিন সহ মাস পেরিয়ে গেলেও দেখা যায় না আর কোন সংবাদ।
সম্প্রতি বেনাপোলের এক ব্যবসায়ি তার কাছে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ করেছে। সে তাদের চাঁদা দিতে রাজি না হলে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে ও অনলাইনে আজে বাজে মন্তব্য করেছে বলে সে অভিযোগ করে। এরপর বেনাপোলের এক কাস্টমস কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন আমার কাছে একটি পত্রিকার পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করেছে সাংবাদিক পরিচয়ে। ওই কাস্টমস কর্মকর্তা জানায় সে তার সিনিয়র অফিসারদের সাথে আলাপ করে ওই মোবাইল নাম্বারে মামলা করবে। তবে সুচতুর ওই টাউট সাংবাদিক তার কাছে না এসে দুর থেকে চাঁদা দাবি করছে। যদি সে এখানে আসে তবে সে ভুয়া হিসাবে আটকে যেতে পারে।
এসব মুর্খ অর্ধশিক্ষিত লোকজন এর সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ায় বিভ্রান্তিতে পড়ছে বেনাপোলের কিছু সরকারী দপ্তর। তারা দুরদুরান্ত থেকে এসে চাকরি করে এবং নিজেদের ভাবমুর্তি রক্ষার জন্য এসব সাংবাদিক নামধারীদের সাথে ঝামেলায় জড়ায় না বলে জানায়।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন সরকারী কর্মকর্তা বলছে আমার কাছে চাঁদা দাবি করা কিছু তালিকা পেয়েছি। আমি তাদের খুজছি। এবং আমার দপ্তরে আসলে তাদের আগে গরুর রচনা লিখতে দিব। যদি তারা তা না লিখতে পারে তাহলে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নিব। মনে হয় ওই সাংবাদিক নামধারী লোক গুলি বুঝতে পেরেছে । আমার দপ্তরে আসছে না।
একটি সুত্র দাবি করে বলে সাংবাদিক পরিচয়দানকারি কিছু লোক মাদক সেবা ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। এরা কিভাবে সাংবাদিকতার মত মহান পেশায় জড়িয়ে পড়েছে তাও ভাববার বিষয়।

এদিকে আর একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র বলছে কিছু টাউট আছে টাকার বিনিময় পত্র পত্রিকা ধরে রেখে ধার করে সংবাদ পরিবেশন করে পত্রিকা ধরে রেখেছে। নাকি টিভি চ্যানেলে ও আছে এরকম সাংবাদিক।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০১৮-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions