সংবাদ শিরোনাম :
চৌগাছার সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সাথে ইঞ্জিঃ হাফিজুর রহমানের মত বিনিময় শিক্ষার আলোয় আলোকিত ব্যক্তি এবং জাতি সবসময় উন্নতি ও অগ্রগতির শীর্ষে অবস্থান করে—- মেয়র লিটন বীর মুক্তিযোদ্ধা মধু খান আর নেই : শেখ আফিল উদ্দিন এমপি’র শোক বেনাপোলে নেতা কর্মীদের পাশে শাহিন চাকলাদার শার্শার বাগআঁচড়া ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয় ২০২০ সালের এসএসসি পরিক্ষায় অভাবনীয় সাফল্যো। শার্শায় মাদকদ্রব্যসহপ্রাইভেটকার জব্দ। বেনাপোল সানরাইজ পাবলিক স্কুলের শত ভাগ পাশ ঝিনাইদহে আবারও মায়ের হাতে দুই শিশু সন্তান খুন ভেঙে গেছে নাটোরে অবস্থিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ঘড়ি নাটোরের বড়াইগ্রামে বাল্যবিয়েকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীকে কুপিয়ে জখম 
ঠাকুরগাঁওয়ে নদী অবৈধ দখল মুক্তের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

ঠাকুরগাঁওয়ে নদী অবৈধ দখল মুক্তের দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান

হাসান বাপ্পি,ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁওয়ে সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের ঐতিহ্য বাহী পাথরঘাটা নদী পাড়ের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নদীটি দখল মুক্ত করার দাবীতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও  জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে পাথরঘাটা নদী পাড়ের লোকজন ও গড়েয়া এলাকা বাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। পাথরঘাটা নদী পাড়ের সহস্রাধিক জনগণের অংশগ্রহনে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন গড়েয়া ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মজিদ, ওই ওয়ার্ডের আওয়ামীলীগ সভাপতি আশরাফুল ইসলাম মানিক, কৃষক আমিনুর রহমান ও যাদু মিঞা সহ পাথরঘাটা নদী পাড়ের ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা।বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন নদ নদী অবৈধ দখলদারদের কবলে চলে যাচ্ছে। পাথরঘাটা নদীটির ক্ষেত্রেও আমরা একই চিত্র লক্ষ্য করছি। গড়েয়ার এ নদীটি একটি ঐতিহ্যবাহী নদী। এ নদীর প্রবাহিত পানি দিয়ে এলাকার কৃষকরা চাষাবাদ করতো। গড়েয়া বাজারে কখনো আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের লোকেরা এ নদী থেকেই পানি নিতো। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি রহিদুল ইসলাম এ নদী ভরাট করে সেখানে মার্কেট নির্মান করেছে। এতে করে নদী দিক পরিবর্তন করে একদিকে যেমন নদী
পাড়ের কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে অন্যদিকে নদীটিও এখন মৃতপ্রায় হয়ে
পরে রয়েছে। এলাকাবাসী এ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নদী পুনরায় খননের জন্য মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
ঠাকুরগাঁওও জেলা প্রশাসক ড. কে এম কামরুজ্জামান সেলিম জানান, এর
আগে আমার কাছে এ ধরনের কোন অভিযোগ আসেনি। তবে এবার
এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে গণ সাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র পেয়েছি। যত
দ্রুত সম্ভব তদন্ত করে নদীটি দখলমুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ
করবো।

সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত-২০২০-এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি
Theme Developed BY AMS IT & Solutions